নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা , ১৪ই মে:মোদিকে সরানোই প্রথম এবং প্রধান লক্ষ্য। কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, তা পরে ঠিক করা যাবে। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী অনেক দিন আগে থেকেই একথা বলে আসছেন। একই কথা বলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কিন্তু প্রধানমন্ত্রিত্বের প্রশ্নে রা কাটেননি তিনিও। তৃণমূলের নেতারা অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছেন। কিন্তু, তৃণমূলের তরফে একার পক্ষে সরকার গড়া সম্ভব নয়। সেকথা হয়তো তারাও জানেন। তাই, বিজেপিকে রুখতে প্রয়োজনে রাহুল গান্ধীকেও প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থনের ইঙ্গিত দিল তৃণমূল কংগ্রেস।উল্লেখ্য, কর্ণাটকে কংগ্রেস-জেডিএস যৌথভাবে সরকার গঠনের মঞ্চ থেকেই মহাজোটের সলতে পাকানো শুরু হয়। এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ব্রিগেড সমাবেশেও এক ছাতার তলায় ইউনাইটেড ইন্ডিয়ার নেতারা এসেছিলেন। কিন্তু, তখনও বিজেপি বিরোধী জোটের মুখ হিসেবে কাউকে চিহ্নিত করা হয়নি। মমতার ব্রিগেড ফিরে গিয়ে স্ট্যালিন, তেজস্বী যাদবের মতো নেতারা রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। জেজিএস নেতা কুমারস্বামীও কংগ্রেস সভাপতির নাম বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী পদে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য তখনও কংগ্রেস সভাপতির নেতৃত্ব মানতে রাজি ছিলেন না। বরং, তিনি রাহুলকে ‘বাচ্চা ছেলে’ বলে উড়িয়েই দিয়েছেন। পালটা জবাবে এরাজ্যে মমতাকে আক্রমণও শানিয়ে গিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি। কিন্তু, তৃণমূল সূত্রে যা খবর তাতে লোকসভায় কংগ্রেস যদি ভাল ফল করে, তাহলে রাহুলকে সমর্থনেও আপত্তি নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।