টিক টক ভিডিওর শুটিংয়ের সময় যুবকের মৃত্যু

টিক টক ভিডিওর শুটিংয়ের সময় যুবকের মৃত্যু

নিজস্ব সংবাদদাতা,পুরুলিয়া,১৯শে আগস্ট: টিক টক ভিডিওর শ্যুটিংয়ের সময় এক যুবক মারা গিয়েছিলেন এবং অপর এক যুবক গুরুতর আহত হন পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঘটনার বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্য মতে, রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ পুরুলিয়া নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চুনাভাট্টি এলাকার মোহাম্মদ নূর আনসারী ও তার বন্ধু সাদা আলামকে আদ্রা চান্দিল রেলপথের কাটিং রেল গেট থেকে কিছুটা দূরে নিয়ে যায়। শুটিং ভিডিও ছিল।এসময় নূর আনসারী ও হোয়াইট আলম গুরুতর আহত হয়ে ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন, দুজনকে পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোহাম্মদ নূর আনসারিকে মৃত ঘোষণা করেন। হোয়াইট আলম এই ঘটনার কথা জানিয়েছিলেন।রোববার সন্ধ্যায় নূর আনসারী তাকে কাটা রেল গেটের সামনে রেল লাইনে নিয়ে যায় যেখানে তাকে টিক টক ভিডিও শুরু করতে বলে। দীর্ঘ স্যুট পরে একটি যাত্রী ট্রেন আসছিল, নূর তার সামনে এসে আমাকে টিক টক ভিডিও শ্যুট করতে বলেছিল। ট্রেনটি কাছাকাছি এলে আমি স্যুট করছিলাম, নূরকে চলতে বললাম।নূর ট্রেন আসছে বুঝতে পারার আগে। নূর সরাসরি আমার সামনে পড়ে গেল।নূর সরাসরি আমার সামনে পড়ে গেল।আমরা দুজনেই ট্রেনের ট্র্যাকের সামনে ড্রেনে পড়ে গেলাম। এর পরে, অন্য দুই যুবক নূরকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান, এই ঘটনা সম্পর্কে নূর আনসারির বাবা রফিক আনসারী ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি তদন্তের জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেছেন। পুরুলিয়া সদর থানার পুলিশ এ ঘটনায় মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে। জেলা পুলিশ সুপার আকাশ মেঘরিয়া বলেছিলেন যে এটি একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, জেলা পুলিশ এই বিষয়টি সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালাবে। বর্তমানে, এই ঘটনার পরে, চুন ভাট্টি এলাকায় আগাছা রয়েছে। রেলওয়ে প্রশাসন বা নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জিআরপি বা আরপিএফকে এ বিষয়ে কোনও লিখিত তথ্য দেওয়া হয়নি। জিআরপি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মতে, নিহত পরিবারের লোকেরা যদি এই ঘটনার তদন্তের দাবি করে তবে জিআরপি বিষয়টি তদন্ত করতে প্রস্তুত।

নদী গর্ভ থেকে অবৈধভাবে বালি তোলার ফলে ময়ূরাক্ষী নদীর গর্তে তলিয়ে গেল এক ব্যক্তি

নদী গর্ভ থেকে অবৈধভাবে বালি তোলার ফলে ময়ূরাক্ষী নদীর গর্তে তলিয়ে গেল এক ব্যক্তি

নিজস্ব সংবাদদাতা,বীরভূম ,১৯ই আগস্ট :নদী গর্ভ থেকে অবৈধভাবে বালি তোলার ফলে ময়ূরাক্ষী নদীর গর্তে তলিয়ে গেল এক ব্যক্তি।কাজ করে বাড়ি ফেরার পথে ময়ূরাক্ষী নদীতে তলিয়ে গেলেন এক ব্যক্তি। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মহঃবাজার থানা এলাকায়। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। এদিক ওদিক খোঁজাখুঁজির পর ওই ব্যক্তির কোন রকম খোঁজ না পাওয়ায় অবশেষে প্রশাসনের তরফ থেকে নামানো হয়েছে বোট।

 

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল বৈকাল ৪টা থেকে ৪:৩০টার সময় কাজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে কোনো কারণবশত নিতাই আচার্য নামে বছর ৬৭র ওই ব্যক্তি বড়াম ঘাটের কাছে নদীতে নামেন। তারপর তিনি ময়ূরাক্ষী নদীর জলের তোড়ে তলিয়ে যান। ঘটনার খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন এসে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে কোন রকম খোঁজ পাওয়া যায়নি। অবশেষে উদ্ধার কার্যে প্রশাসনিকভাবে নামানো হয়েছে বোট। কিন্তু শেষ খবর পাওয়া অব্দি এখনো পর্যন্ত ওই ব্যক্তির কোন রকম খোঁজ পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ ব্যক্তির আত্মীয় জয়ন্ত বিশ্বাস জানান, “কাজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করা সত্বেও যখন খুঁজে পাইনি তখন প্রশাসনিক তরফ থেকে নামানো হয়েছে বোট।”

 

কিন্তু স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে যে ব্যক্তি এই ময়ূরাক্ষী নদীর উপর দিয়েই পারাপার করছেন তিনি হঠাৎ করে কিভাবে তলিয়ে গেলেন জলে! স্থানীয় একাংশ মানুষের মতে বর্ষার আগে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ময়ুরাক্ষী নদী থেকে কখনো পাইপলাইন, কখনো বা জেসিবি মেশিন দিয়ে তোলা হচ্ছিল বালি। এর ফলে নদী গর্ভে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত, বর্ষার সময় জল থাকায় সেই গর্ত বুঝতে পারেনি নিতাই আচার্য। সে কারণেই নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে সে।

স্থানীয়দের আরো এক ব্যক্তি ও ঠিক একই অভিযোগ করেন তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদী থেকে বালি তুলে নেওয়ার কারণেই আজ একজন ব্যক্তিকে নদীর বুকে তলিয়ে যেতে হলো। তাঁকে জলে তলিয়ে গিয়ে প্রাণ বিসর্জন দিয়ে প্রমাণ করতে হলো আমরা কি অবস্থায় রয়েছি!

স্থানীয়দের আরো অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নদী পারাপারের জন্য সেতু নির্মাণের দাবি তোলা হলেও কোনো কাজ হয়নি। তারা ওই ব্যক্তির নদীতে তলিয়ে যাওয়ার পিছনে মূলত বালিঘাট এবং সেতুর অভাবকেই দায়ী করেছেন।

হাই সেকেন্ডারি জন্য অনুমোদন নেই স্কুলে, বিক্ষোভ অভিভাবকদের

হাই সেকেন্ডারি জন্য অনুমোদন নেই স্কুলে, বিক্ষোভ অভিভাবকদের

নিজস্ব সংবাদদাতা,আসানসোল ,১৯ই আগস্ট :স্কুল নাকি হাই সেকেন্ডারি জন্য অনুমোদন পায়নি। তাই অষ্টম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের পাস করার পর অন্য কোথাও ভর্তি করতে বললেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। আর এতেই অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হল।আজ সকাল থেকে আসানসোলের কল্যাণপুর স্যাটেলাইট টাউনসিপ ডিএভি মডেল স্কুলে বিক্ষোভ দেখায় অভিভাবকরা।
তাদের দাবি তাদের ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে ডিএভি কর্তৃপক্ষ।

আসানসোলে ডিএভি-র তিনটি বিদ্যালয় আছে। একটি ডিএভি পাবলিক স্কুল অন্য দুটি কল্যাণপুর স্যাটেলাইট টাউনসিপে ডিএভি মডেল এবং ধাদকাতে আরও একটি স্কুল চলে। এই তিনটির মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে বলেই কতৃপক্ষ জানিয়েছে এবং ডিএভি মডেল স্কুলে যখন ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরা ভর্তি করেন তখন কিন্তু এই অনুমোদন পাওয়া যায়নি বা যাবে না এমন কথা বলা হয়নি। বর্তমানে বলা হচ্ছে রাজ্য সরকার এখনও পর্যন্ত হায়ার সেকেন্ডারি পড়ানোর অনুমোদন দেয়নি ডিএভি মডেল স্কুলকে। আর সেই কারণেই ক্লাস এইট উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল ছাড়িয়ে নিয়ে চলে যাবার জন্য সাফ নোটিশ দিয়ে দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। প্রশ্ন উঠছে ক্লাস এইট উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের এখন কোন স্কুলে নিয়ে গিয়ে অভিভাবকরা ভর্তি করবেন।

তাদের ভবিষ্যত- ই বা কি? ডিএভি পাবলিক স্কুল এবং ডিএভি মডেল স্কুল এর মধ্যে যদি সংযোগ সূত্র আছে তাহলে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে গিয়ে ডিএভি পাবলিক স্কুলে কেন ভর্তি করা হচ্ছে না? অনুমোদনহীন ভাবে স্কুল চালানোর এই দায় ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যতের উপর যাবে কেন? সকাল থেকেই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে অভিভাবকরা। তারা স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গেও কথা বলেন। কিন্তু কোন রফাসুত্র বেরোয়নি। স্কুলে জানানো হয়েছে পরবর্তী নোটিশ দেওয়া হবে। কিন্তু অভিভাবকদের দাবি দুর্গাপুর থেকে ডিএভি সাউথ রিজিওনের হেড পাপিয়া ম্যাডামকে আসতে হবে। পাপিয়া ম্যাডাম এসে অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বললে তবে এই বিক্ষোভ থামবে।

দলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় বেধড়ক মার তৃণমূল কর্মীদের

দলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় বেধড়ক মার তৃণমূল কর্মীদের

নিজস্ব সংবাদদাতা,দক্ষিণ ২৪ পরগনা ,১৯ই আগস্ট : দিনের পর দিন এলাকায় উন্নয়ন হচ্ছে না। এলাকার রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে পানীয় জল কোন কিছুরই উন্নতি হয়নি গত কয়েক বছরে। পঞ্চায়েতের টাকা পয়সা সবই এলাকার তৃণমূল নেতারা তছরুপ করছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন এলাকারই কয়েকজন তৃণমূল কর্মী।

আর সেই প্রতিবাদের কারণেই রবিবার রাতে বাড়িতে চড়াও হয়ে সেই সমস্ত তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ উঠলো এলাকার তৃণমূল নেতা তপু মাহাতো, মোর্তাজা গাজী ও তাদের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বাসন্তী থানার অন্তর্গত চড়াবিদ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতের চার নম্বর পেটুয়াখালী গাজী পাড়ায়।

এই ঘটনায় এক মহিলা সহ মোট ছয়জন জখম হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় যথেষ্ট উত্তেজনা ছড়ালে রাতেই বাসন্তী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

দুর্গাপুরে ডায়রিয়ার প্রকোপ, মৃত ২, আক্রান্ত ৫০

দুর্গাপুরে ডায়রিয়ার প্রকোপ, মৃত ২, আক্রান্ত ৫০

নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুর,১৯ই আগস্ট :দুর্গাপুরের কমলপুরে ডায়রিয়ার প্রকোপ। মৃত দুই। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১২। আক্রান্ত প্রায় ৫০জন। গ্রামবাসীদের দাবি গত মাসের শেষের দিক থেকে এলাকার বেশ কয়েক জনের বমি, পায়খানা শুরু হয়। ক্রমে সংখ্যাটা বাড়তে থাকে। চলতি মাসের সাত তারিখ ও তার কয়েকদিন পরে বছর ৫৮-র কার্তিক ভূঁইঞা ও বছর ১৫-র সঙ্গীতা ভুঁইঞার মৃত্যু হয়।

এরপরই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। অন্যদিকে রবিবার ডায়রিয়া প্রকোপের খবর পেয়ে তড়িঘড়ি এলাকায় মেডিক্যাল ক্যাম্পের ব্যবস্থা করেন তৃণমূলের জেলা কর্যকরী সভাপতি উত্তম মুখার্জী। বিশুদ্ধ পানীয় জল বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়। ক্যাম্প করে এলাকাবাসীদের জন্য খাওয়াদাওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়। খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছন মহকুমা শাসক অনির্বাণ কোলে। খোঁজ খবর নেওয়ার পাশাপাশি সোমবার থেকে এলাকায় সরকারি উদ্যোগে মেডিক্যাল ক্যাম্প ও সচেতনতা শিবিরের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে এলাকার দু’জনের কি কারণে মৃত্যু হয়েছে তা জানতে মহকুমা স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে ওই এলাকায় পুরসভার পানীয় জলের কোনও ব্যবস্থা না থাকায় পুকুর ও কুয়োর জল খেতে বাধ্য হন স্থানীয়রা। ওই পানীয় জল থেকেই এলাকায় ডায়রিয়ার প্রকোপ ছড়িয়েছে বলে অনুমান চিকিৎসকদের।

এটিএম ভেঙে টাকা লুট করার চেষ্টার ঘটনায় গ্রেফতার দুই

এটিএম ভেঙে টাকা লুট করার চেষ্টার ঘটনায় গ্রেফতার দুই

নিজস্ব সংবাদদাতা,দক্ষিণ ২৪ পরগনা ,১৯ই আগস্ট :এটিএম ভেঙে টাকা লুট করার চেষ্টার ঘটনায় গ্রেফতার দুই। উদ্ধার ১০ হাজার টাকার জালনোট। ঘটনাটি ঘটেছে সোনারপুর থানা এলাকার জ্যোতির্ময়ী কলেজের সামনে। গোপন সুত্রে খবর পেয়ে সোনারপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বড় ছাতা নিয়ে থাকায় তাদের মুখ সিসিটিভি ফুটেজ এ ধরা পড়েনি।

পুলিশের তাড়ায় বাইক ফেলে পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায় তারা। বাইকের সুত্র ধরে তাদের কে ভাঙড় এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতরা হল আলমগীর সর্দার(২০), আকবর সর্দার(২৮)। এদের কাছ থেকে ২০টি ৫০০ টাকার জাল নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ তাদের বারুইপুর আদালতে তোলা হবে।