সাত বছরের শিশুর মাড়ি কেটে বেরল ৫২৬টি দাঁত! দেখে তাজ্জব দন্ত চিকিৎসকরাও

সাত বছরের শিশুর মাড়ি কেটে বেরল ৫২৬টি দাঁত! দেখে তাজ্জব দন্ত চিকিৎসকরাও

চেন্নাই : সাত বছরের শিশুর মাড়ি কেটে বেরল ৫২৬টি দাঁত! দেখে তাজ্জব বনে গেলেন দন্ত চিকিৎসকরাও। ঘটনাটি ঘটেছে চেন্নাইয়ের সবিতা ডেন্টাল কলেজে। দীর্ঘদিন ধরেই দাঁতের ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছিল।শেষমেশ সবিতা ডেন্টাল কলেজে যান বাবা-মা। এক্স-রে করার পর তার রিপোর্ট দেখে তাজ্জব বনে গিয়েছেন দন্ত চিকিৎসকরাও।

শিশুটির ডান দিকের নীচের মাড়িতে একটি থলির মতো অংশে গিজগিজ করছে দাঁত! এর পরই ওই শিশুর মাড়িতে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা।

২ টি জুস পানের ফলে নিমেষে দূর হয়ে যাবে মাইগ্রেনের মারাত্মক মাথাব্যথা

২ টি জুস পানের ফলে নিমেষে দূর হয়ে যাবে মাইগ্রেনের মারাত্মক মাথাব্যথা

সাধারণ ২ টি জুস পানের ফলে নিমেষে দূর হয়ে যাবে মাইগ্রেনের মারাত্মক মাথাব্যথা। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই দুটি পানীয় সম্পর্কে।

১. ব্রকোলী, গাজর ও আপেলের পানীয়

উপকরণঃ
– ছোট আকারের ব্রকলির ৮ ভাগের ১ ভাগ
– ২ টি মাঝারি আকারের গাজর
– ১ টি আপেল
পদ্ধতিঃ
– ব্রকলি, আপেল ও গাজর ছোটো ছোটো খণ্ড করে ব্লেন্ডারে সামান্য জল দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন ভালো করে।
– মিহি ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিতে পারেন। প্রয়োজন না পড়লে ছেঁকে নেয়ার দরকার নেই।
– এতে মেশান ১ চিমচি লবণ ও ১ চিমটি বিট লবণ। এবার এই পানীয় পান করে নিন। অনেক দ্রুত ভালো ফল পাবেন।

২. লেবুর রস, মধু ও আপেল সিডার ভিনিগারের পানীয়

উপকরণঃ

– ২ চা চামচ আপেল সিডার ভিনিগার
– ১ গ্লাস জল
– ১ চা চামচ মধু
– ১ চা চামচ লেবুর রস
পদ্ধতিঃ
– ১ গ্লাস জলে আপেল সিডার ভিনিগার ভালো করে মিশিয়ে নিন।
– ভিনিগার মিশে গেলে এতে, মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন ভালো করে।
– এই পানীয় মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হলে দিনে ২-৩ বার পান করুন। মাইগ্রেনের ব্যথা দূর হবে খুব দ্রুত।

এবার ঘরোয়া উপায়েই তৈরি করুন মাউথওয়াশ

এবার ঘরোয়া উপায়েই তৈরি করুন মাউথওয়াশ

বেকিং সোডা: আধা চা চামচ বেকিং সোডা আধা গ্লাস ‍কুসুম গরম জলে মিশিয়ে নিলেই একধরনের মাউথওয়াশ তৈরি হয়ে গেলো। দাঁত ব্রাশ করার পর কিংবা দিনের যেকোনো সময় শুধু এই মিশ্রণ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিতে পারেন। মুখের দুর্গন্ধ ও ব্যাকটেরিয়া দূর করতে বেকিং সোডা অত্যন্ত কার্যকরী।

নারকেল তেল: এই পদ্ধতির নাম ‘ওয়েল পুলিং’, যার জন্য চাই এক চা চামচ নারিকেল তেল। তেলটুকু মুখে নিয়ে কিছুক্ষণ কুলি করতে হবে। পরে তেল ফেলে দিয়ে জল দিয়ে ভালোভাবে কুলি করতে হবে। মুখ পরিষ্কারের পাশাপাশি শরীরের বিষাক্ত উপাদান অপসারণেও সহায়ক ভূমিকা রাখে এই পদ্ধতি। দাঁতে ‘প্লাক’ জমাও রোধ করে।

নুন: নুন-জল দিয়ে কুলকুচি করা সম্পর্কে অনেকেই জানেন। এখানেও চাই আধা গ্লাস কুসুম গরম জল আর আধা চা চামচ নুন। একসঙ্গে মিশিয়ে নিলেই কাজ শেষ। বাজারের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাউথওয়াশের মতোই কার্যকরী এটি।

অ্যালোভেরা: আধা কাপ অ্যালোভেরা আর আধা কাপ জল একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। প্রতিবার দাঁত ব্রাশ করার হয় এই মিশ্রণ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে হবে। দাঁতে ‘প্লাক’ জমা রোধ করে এবং মাড়ির রক্তক্ষরণ বন্ধ করে এই মিশ্রণ।

দারুচিনি আর লবঙ্গের তেল: এক কাপ জলে ১০ ফোঁটা দারুচিনির তেল আর ১০ ফোঁটা লবঙ্গের তেল যোগ করতে হবে। উপকরণগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। সাধারণ মাউথওয়াশের মতো করেই ব্যবহার করতে পারবেন। দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় এই মিশ্রণ, তাই একসঙ্গে বেশি করে বানিয়ে রেখে দিতে পারেন।

প্রতিদিন পাতে অবশ্যই রাখুন এক টুকরো এলাচ

প্রতিদিন পাতে অবশ্যই রাখুন এক টুকরো এলাচ

এক টুকরো এলাচ কি কি সমস্যা সমাধানে সক্ষম।

পেটের সমস্যা: এলাচ এবং আদা সমগোত্রীয়। আমরা হয়ত অনেকেই জানি আদা খেলে পেটের নানা সমস্যা এবং হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে আরও এক অভিনব বিষয় হল এলাচ খেলেও এই সকল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। বমি ভাব, পেট ফাঁপা,বুক জ্বালা বা অ্যাসিডিটির হাত থেকে মুক্তি পেতে এলাচ খুবই সাহায্য করে।

মুখের দুর্গন্ধ: অনেকক্ষণ না খেলে বা অনেক সময় শারীরিক নানা কারণে মুখে দুর্গন্ধ হয়। আর এই দুর্গন্ধ দূর করতে খুব সাহায্য করে এলাচ।শুধু মুখে একটা এলাচ নিয়ে রেখে দিন দেখবেন প্রবলেম সলভড।মুখের দুর্গন্ধ ছাড়াও মাড়ির ইনফেকশন, মুখের ফোঁড়া সহ দাঁত ও মাড়ির নানা সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

বয়সের ছাপ দূর করতে: এলাচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বয়সের ছাপ, রিংকেল, ফ্রি র্যাহডিকেল ইত্যাদি পড়তে বাঁধা প্রদান করে। এলাচ ত্বকের ক্ষতি পূরণেও বেশ সহায়ক।

দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করতে: দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করতে এলাচের জুড়ি নেই। এলাচের ডিউরেটিক উপাদান দেহের ক্ষতিকর টক্সিন পরিষ্কারে সহায়তা করে।

রক্ত পরিষ্কার রাখতে: রক্তনালীতে রক্ত জমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। এলাচের রক্ত পাতলা করার দারুণ গুনটি এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব সঠিক থাকে। এমনকি এলাচের ডিউরেটিক উপাদান উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমিয়ে আনতে সক্ষম।

নিম-হলুদে সুরক্ষা

নিম-হলুদে সুরক্ষা

শুধু কি রূপচর্চায়? অবশ্যই না! নিমপাতা ও হলুদের গুণাগুণ স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার ক্ষেত্রেও সীমাহীন। এগুলোর কার্যকারিতার কথা বলে শেষ করা যাবে না। নিম ও হলুদের উপকারিতার কথা বিস্তারিত জানালেন হার্বস আয়ুর্বেদিক স্কিন অ্যান্ড হেয়ার কেয়ার ক্লিনিকের রূপবিশেষজ্ঞ আফরিন মৌসুমি।

কাঁচা হলুদ

হলুদে আছে কারকিউমিন, যা একধরনের এসেনশিয়াল তেল। আর যে হলুদের রং যত গাঢ় তাতে কারকিউমিনের পরিমাণ তত বেশি। আমাদের দেশে যে হলুদ হয় তাতে কারকিউমিনের পরিমাণ থাকে ২-৩ শতাংশ। আর এই কারকিউমিন হলো ঔষধি গুণাগুণসম্পন্ন। কাঁচা হলুদের কারকিউমিন শরীরে ডিটক্স হিসেবে কাজ করে। আমাদের শরীরে নানা রকম বিষাক্ত পদার্থ জমে বিভিন্ন ধরনের অসুখ হয়। যেমন হজমজনিত সমস্যা, আলসার বা এই জাতীয় শারীরিক অসুস্থতার ক্ষেত্রে হলুদ বেশ কার্যকর। রূপচর্চা ছাড়া ঔষধি হিসেবে হলুদ খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে, যা মেনে চললে ভালো। কাঁচা হলুদ খেতে হলে অবশ্যই কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে তারপর খেতে হবে।

আর হলুদের রস শরীরের বাহ্যিক অংশে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভালো করে জ্বাল দিয়ে ব্যবহার করতে হবে। মধু বা গুড় দিয়ে হলুদ নিয়মিত খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। আয়ুর্বেদিক মতানুযায়ী এটি শরীরের জন্য খুব উপকারী। কোথাও কেটে গেলে হলুদগুঁড়ার সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে লাগিয়ে রাখলে খুব তাড়াতাড়ি ক্ষত ভালো হয়ে যায়। এ ছাড়া হলুদ ও সরিষার তেলের এই মিশ্রণ গরম করে পায়ের নখ কনুই বা ফাঙ্গাসে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

হলুদের রস ও নিমের রস জ্বাল দিয়ে একসঙ্গে মিশিয়ে সংরক্ষণ করে রাখা যায়। পরে গোসলের সময় পানিতে নিয়মিত ব্যবহার করলে অ্যালার্জির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সমপরিমাণ হলুদ ও নিমের রস জ্বাল দিয়ে তাতে সমপরিমাণ তিলের তেল মিশিয়ে শরীরের ফাটা অংশগুলোতে প্রতি রাতে ব্যবহার করলে এই সমস্যার দ্রুত ও কার্যকর সমাধান হবে।

নিমপাতা
নিম শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। নিমের কচি পাতা যখন আসে তখন প্রথম শিরা থেকে প্রথম পাঁচটি পাতা নিয়ে রসুন, কাঁচা মরিচসহ ভর্তা করে গরম ভাত দিয়ে খেলে সারা বছর শরীরের যেমন রোগ প্রতিরোধ হয় তেমনি গুটিবসন্ত, ঘামাচিও হয় না। আর বিশেষ করে যাঁদের প্রচুর ঘামাচির সমস্যা রয়েছে তারা গরম আসার আগে এই খাবারটি খেয়ে নিন। তাহলে একদমই ঘামাচির সমস্যায় ভুগতে হবে না। অনেকে নিমপাতার বড়ি খেয়ে থাকেন। সে ক্ষেত্রে বড়ির চেয়ে এই ভর্তাই বেশ কার্যকর। কারণ নিমপাতার বড়িতে ক্লোরোফিলের যে গুণাগুণ থাকে, তা নষ্ট হয়ে যায়।

উকুনের সমস্যার জন্যও নিমপাতা বেশ কার্যকর। তাই উকুনের সমস্যা দেখা দিলে নিমপাতার রস পুরো চুলে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ফাঙ্গাল ইনফেকশন প্রতিরোধেও নিমপাতা খুব ভালো কাজ করে। নিমপাতা জ্বাল দিয়ে পানির রং সবুজ হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। অনেক সময় মাথার তালুতে ছোট ছোট গুটির মতো দেখা যায়। শ্যাম্পু করার সময় এই পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে নিলে এই গুটির সমস্যাটি চলে যাবে। এ ছাড়া নিয়মিত এই পানি ব্যবহারে খুশকি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। নারকেল তেলের সঙ্গে নিমপাতার রস ভালো করে জ্বাল দিয়ে রেখে দিয়ে তা নিয়মিত ব্যবহার করলে চুল পড়া বন্ধ হয়ে যাবে।

মনে রাখা ভালো
 কাঁচা হলুদের রস কখনোই সরাসরি ব্যবহার করা উচিত নয়। হলুদের রস বের করে নিয়ে বেসন, ময়দার সঙ্গে ব্যবহার করা উচিত।
 হলুদ দেওয়ার পরপরই রোদে যাওয়া যাবে না। এতে করে ত্বকে কালচে ভাব চলে আসবে।
 নিমপাতার গোড়ার দিকের অংশগুলো না নিয়ে ওপরের অংশগুলো ব্যবহার করা ও খাওয়া উচিত। কারণ এতে ক্লোরোফিলের পরিমাণ বেশি থাকে।

আবিষ্কারের পথে ক্যান্সারের টিকা,পরীক্ষার জন্য ৮০০ কুকুর বেছে নেওয়া হয়

আবিষ্কারের পথে ক্যান্সারের টিকা,পরীক্ষার জন্য ৮০০ কুকুর বেছে নেওয়া হয়

দীর্ঘ ১২ বছরের গবেষণার পর এক দল মার্কিন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেছেন ক্যান্সারের প্রতিষেধক যা কেমোথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি ছাড়াই শরীরে ক্যান্সারের কোষের বাড়-বৃদ্ধি বন্ধ করতে সক্ষম। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় অবস্থিত ‘বায়ো ডিজাইন ইনস্টিটিউট’-এর একদল বিজ্ঞানী নিলেন ক্যান্সার প্রতিরোধে প্রথম পদক্ষেপ। পরীক্ষার জন্য তাদের অভিভাবকদের অনুমতি নিয়ে মোট ৮০০টি কুকুর বেছে নেওয়া হয়। প্রাথমিক নানা স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর ৮০০টি কুকুরকে ক্যান্সারের টিকা দেওয়া হয়। এর পর এদেরকে সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণের মধ্যে রাখা হবে এখন এই প্রতিষেধকের সাফল্যের দিকে তাকিয়ে বিজ্ঞানী থেকে লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষ। কারণ, এই টিকার প্রয়োগ সফল হলে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।