রমজানের সময় খোলামেলা পোশাকে কেন? ৩৯ যুবতীকে ‘চাবুকের শাস্তি’ এই দেশে!

রমজানের সময় খোলামেলা পোশাকে কেন? ৩৯ যুবতীকে ‘চাবুকের শাস্তি’ এই দেশে!

রমজান মাসে কেন অশালীন পোশাক পরেছেন? এই ‘অপরাধে’ ৩৯ জন যুবতীকে চাবুক পেটা করা হল। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে মালয়েশিয়ার কেলানতান প্রদেশে।

রাজ্যের ধর্ম দফতরের তরফে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে প্রকাশিত সে দেশের সংবাদমাধ্যমে। জানা গেছে, রমজান চলাকালীন অশালীন পোশাক যাতে কেউ না পরে, তার জন্য ৯ ঘণ্টার সরকারি অভিযান চালানো হয়। পুলিশ ও সরকারি আধিকারিক মিলিয়ে এই অভিযানে সামিল হন ৭০ জন। তল্লাশি চলে দেশের উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন অংশে।

এরপরই পোশাক আইন মানেনি এমন ৩৯ জন যুবতীর খোঁজ মেলে। যৌন আবেদনকারী পোশাক নিষিদ্ধ আইনে তাঁদের শাস্তি দেওয়া হয়। সতর্ক করা হয়েছে আরও ৮ জনকে।

ভবিষ্যতেও এই ধরনের অভিযান চলবে বলে দফতরের তরফে জানানো হয়েছে।

জেল থেকে বাড়ি ফিরলো হিরো আলম

জেল থেকে বাড়ি ফিরলো হিরো আলম

ঢাকা: পারিবারিক অত্যাচারের অভিযোগে কারাগারে বাংলাদেশের জনপ্রিয় নায়ক-অভিনেতা  হিরো আলম l শ্রীঘর থেকে ফিরেই রাজনীতির মাঠে নেমে পড়েছিলেন৷ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় পার্টির বড়সড় পদ৷ দলের সাংস্কৃতিক শাখার কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদকের পদে বসানো হয়েছিল তাঁকে৷ এবার বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হচ্ছেন তিনি৷ শনিবার সন্ধেবেলা এই খবর নিশ্চিত করেছেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম৷ তিনি বলেন, ‘আমার বাড়ি সদর উপজেলার এরুলিয়াতে, তাই এবার আমিই সদর আসনে নির্বাচনে লড়ছি৷ মনোনয়ন দিতে চেয়ে দলের কাছে বলেছি৷ আশা করি, আমার জনপ্রিয়তার কথা বিবেচনা করবে দল৷’

হিরো আলম ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, দলের হয়ে মনোনয়ন জমা দিতে না পারলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে উপনির্বাচনে লড়বেন তিনি৷ এর আগে একাদশ সংসদীয় নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্দল প্রার্থী হয়ে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন এই জনপ্রিয় অভিনেতা৷ আদতে বগুড়ার সদর উপজেলার কেবল ব্যবসায়ী আশরাফুল হোসেন আলম কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘হিরো আলম’ নামে জনপ্রিয় হন৷ গত নির্বাচনে জাতীয় পার্টির হয়ে মনোনয়ন পেশের ইচ্ছাপ্রকাশ করলেও, তা হয়নি৷ তাই নির্দল হিসেবে লড়াইয়ে নেমে মাত্র ৬৩৮টি ভোট পাওয়ায় হিরো আলমের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়৷ ওই নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে জয়ী হওয়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় সেখানে ফের নির্বাচন করানোর সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন৷ আর সেখানেই সুযোগ বুঝে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান হিরো আলম৷

মাসখানেক আগে স্ত্রীর উপর অত্যাচার করার অভিযোগে হিরো আলমকে শ্রীঘরে পাঠিয়েছিল আদালত৷ যৌতুকের দাবিতে দাম্পত্য অশান্তিতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে৷ তবে হিরো আলম সেই অভিযোগ খারিজ করে দাবি করেছিলেন, মডেলিং, মিউজিক ভিডিওয় তাঁর কেবল ব্যবসার মালিকানা স্ত্রীকে দিয়ে দিয়েছিলেন৷ স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন সেই ব্যবসায় টাকাপয়সা তছরূপ করার পর কেলেঙ্কারি থেকে বাঁচতে তাঁর দিকে তির ঘুরিয়ে দিয়েছেন৷ যদিও হিরো আলমের এসব যুক্তি আদালতের ধোপে টেকেনি৷ শ্রীঘর থেকে বেরিয়ে এবার রাজনৈতিক কেরিয়ার কতটা মসৃণভাবে এগোয়, সেদিকে নজর থাকবে বাংলাদেশবাসীর৷

শ্বাসরোধ করে খুনের পর অন্তঃসত্ত্বার পেট কেটে বের করা হল শিশু!

শ্বাসরোধ করে খুনের পর অন্তঃসত্ত্বার পেট কেটে বের করা হল শিশু!

নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা , ১৮ই মে: শ্বাসরোধ করে খুনের পর অন্তঃসত্ত্বার গর্ভ থেকে বের করা হল শিশুকে। পাশবিক এই ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকার শিকাগো শহরের পশ্চিম দিকে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ দুই মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম ক্ল্যারিসা ফিগুয়েরা(৪৬) ও ডেসিরি(২৪)। সম্পর্কে তারা মা ও মেয়ে। তবে কী কারণে এই ধরনের নারকীয় কাজ তারা করল তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। বর্তমানে শিশুটিকে শিকাগোর একটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তার অবস্থায় গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। এদিকে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ডেসিরি-র প্রেমিককেও জেরা করছেন তদন্তকারীরা।

এপ্রিলের ২৩ তারিখ শেষবার যখন মারলেন ওকোয়া লোপেজকে দেখা গিয়েছিল, তখন তিনি ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। শিকাগোর অল্টারনেটিভ হাই স্কুল থেকে দুপুর তিনটে নাগাদ নিজের গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছিলেন ১৯ বছরের এই যুবতী। কিন্তু, দুপুর গড়িয়ে রাত হয়ে গেলেও আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। ইতিমধ্যে ডে কেয়ার সেন্টার থেকে তিন বছরের ছেলেকে তিনি যে নিতে যাননি তাও ফোন করে জানানো হয়। আরও জানা যায়, ওইদিন তাঁর
ফোন থেকে স্বামী ইয়োভানি লোপেজের ফোনে একটি মেসেজ গিয়েছিল। তাতে লেখা ছিল, তিনি খুব ক্লান্ত। তাই আর গাড়ি চালাতে পারছেন না। ব্যস এরপর থেকে আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি তাঁর। যেন বেমালুম উধাও হয়ে যান মারলেন।
এরপর কেটে যায় একমাস। ক্রমশ এগিয়ে আসে মারলেন-এর সন্তান প্রসবের সময়ও। কিন্তু, কোনও সন্ধান না মেলায় খারাপ কিছু হয়েছে বলে দুঃশ্চিন্তা করতে থাকেন মারলেন-এর মা রাকুয়েল। মেয়ের খারাপ পরিণতির আশঙ্কায় বুক কেঁপে ওঠে পরিবারের। তাই মারলেনকে ফিরে পাওয়ার যাবতীয় চেষ্টা করতে থাকে তারা। এর মধ্যেই গত বুধবার মারলেন-এর বাড়ির সামনে আবর্জনা ভরতি একটি ডাস্টবিন থেকে উদ্ধার হয় একটি মহিলার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ। স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকদের বক্তব্যে আরও চিন্তিত হয়ে পড়েন ওই যুবতীর আত্মীয়রা। কারণ, পুলিশ জানায় ওই মৃতদেহের গর্ভ থেকে ছিঁড়ে বের করা হয়েছে সদ্যোজাতকে। ময়নাতদন্তের পর জানা যায়, মৃতদেহটি নিখোঁজ মারলেনের। দড়ির ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করেই তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে জানান ময়নাতদন্তের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকরা। পাশাপাশি তারা আরও জানান, খুন করার পরেই মারলেন-এর গর্ভ থেকে শিশুটিকে কেটে বের করে নেওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ক্ল্যারিসা ফিগুয়েরার কাছ থেকে বাচ্চাদের জিনিসপত্র কিনতেন মারলেন। সেই থেকেই দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। যেদিন মারলেন নিখোঁজ হয়েছিলেন, সেদিন তাঁদের দু’জনের মধ্যে ফেসুবকে কথাও হয়েছিল। তারপর স্কুল থেকে বেরিয়ে ক্ল্যারিসার বাড়িতে কিছু জিনিসপত্র আনতে গিয়েছিলেন মারলেন। সেখানেই তাঁকে খুন করা হয়।

এই ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক হয়ে পড়েছেন মারলেন-এর পরিবারের সদস্যরা। এপ্রসঙ্গে তাঁর মা রাকুয়েল বলেন, “সব থেকে সমস্যা হচ্ছে মারলেন-এর তিন বছরের ছেলেকে নিয়ে। মাকে না দেখে কিছু খেতে চাইছে না সে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে বাড়িতে থাকা মারলেন-এর সব ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাও বাচ্চাটাকে সামলানো যাচ্ছে না।”

লিফটবন্দি অবস্থায় প্রাণ বাঁচাল নিজের মূত্র! ৪৮ ঘণ্টার দুঃসহ অভিজ্ঞতা ব্রিটিশ তরুণীর

লিফটবন্দি অবস্থায় প্রাণ বাঁচাল নিজের মূত্র! ৪৮ ঘণ্টার দুঃসহ অভিজ্ঞতা ব্রিটিশ তরুণীর

নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা , ১৭ই মে:এক মুহূর্তে বদ্ধ জায়গায় আটকে পড়লেই প্রাণ যাওয়ার জোগাড় হয় আমাদের। কিন্তু যদি টানা দু’দিন আটকে থাকতে হয় লিফটে! মিলবে না খাবার, কেমন হবে? হ্যাঁ, এই ভয়ংকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলেন এক ব্রিটিশ মহিলা। টানা ৪৮ ঘণ্টা লিফটে আটকে ছিলেন তিনি। খাবার তো দূর, ছিল না পানীয় জলও। কিন্তু জল ছাড়া ২ দিন বাঁচা তো অসম্ভব। কিন্তু জীবিত অবস্থায়ই লিফট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তাঁকে।
প্রাণ বাঁচাতে তিনি যা করেছেন, তা কেউ হয়তো কেউ ভাবতেও পারবেন না। কিন্তু আত্মরক্ষার জন্য এছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না তাঁর কাছে। জানা গিয়েছে, তৃষ্ণা মেটাতে প্রস্রাব পান করেছিলেন ওই ব্রিটিশ মহিলা। আর ওই মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছিলেন বলেই জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে তাঁকে। ঘটনাটি ঘটেছে ইংল্যান্ডের কেন্ট প্রদেশের হাভেল স্কোয়ারের মারগেট অ্যাডাল্ট এডুকেশন সেন্টারে।জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার অফিসের শিফট শেষ হওয়ার পর লিফটে ওঠেন ওই ব্রিটিশ মহিলা। কিন্তু, আচমকাই যান্ত্রিক গোলযোগে বন্ধ হয়ে যায় লিফট। আটকে পড়েন তিনি। ঘটনাচক্রে সেই সময় লিফটে একাই ছিলেন তিনি। লিফট থেকে বেরোনোর আপ্রাণ চেষ্টা করেন ওই মহিলা। তাঁকে বের করে আনার চেষ্টা চালানো হয়। এমনকী তাঁর কাছে খাবারও পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলে৷ কিন্তু নাহ! টানা দু’দিন সম্ভব হয়নি লিফট খোলা। ৪৮ ঘণ্টার মাথায় লিফটের দরজা ভাঙা সম্ভব হয়। এরপরই সেখান থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় মহিলাকে। তবে প্রস্রাব পান করেছিলেন বলেই এ যাত্রা প্রাণে বাঁচলেন ওই ব্রিটিশ মহিলা। একেই বলে, রাখে হরি মারে কে?

সৌদি ট্যাঙ্কারে হামলায় তপ্ত উপসাগর, সন্দেহের তির ইরানের দিকে

সৌদি ট্যাঙ্কারে হামলায় তপ্ত উপসাগর, সন্দেহের তির ইরানের দিকে

নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা , ১৬ই মে: আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলতি সংঘাতের আবহেই আরও জটিল হল পারস্য উপসাগরের পরিস্থিতি। সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের দু’টি তেল বোঝাই ট্যাঙ্কার জাহাজে হামলা চালিয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় হামলাকারীরা।সৌদির অভিযোগ, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর ফুজাইরা শহরের কাছে পারস্য উপসাগরের উপর সোমবার রাতে এই হামলা চালানো হয়। বড় কোনও জলযান জোরাল ধাক্কা মারে এবং বিস্ফোরণ ঘটায় দুটি সৌদি তেল বোঝাই জাহাজে। এর জেরে তেল ট্যাঙ্কার বোঝাই জাহাজ দু’টির বড় অংশ ভেঙে তুবড়ে গিয়েছে। জাহাজ ফুটো হয়ে কিন্তু অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম জলে মেশেনি। তেল বোঝাই ট্যাঙ্কার দু’টি নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই হামলায় কেউ হতাহত হননি। সৌদি আরবের দাবি, পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা বাড়াতেই এবং তাদের তেল নির্ভর অর্থনীতির ক্ষতি করতে পরিকল্পিতভাবে এই নাশকতা তথা হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, ট্যাঙ্কারে ধাক্কা মারা হয়েছিল যাতে বিস্ফোরণে তেল ট্যাঙ্কারবাহী জাহাজের কনভয়টাই উড়ে যায়। সেটা হলে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটতে পারত এবং শতাধিক নাবিক ও জাহাজকর্মীর মৃত্যু হতে পারত। পারস্য উপসাগর জাহাজ চলাচলের অযোগ্য হয়ে যেত। সার্বিকভাবে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলির অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতি হত।

তবে সৌদি আরব এই ঘটনাকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলতে চায়নি। সৌদি আরবের ইঙ্গিত ছিল শত্রু দেশ ইরানের দিকে। ব্রিটেন, আমেরিকা, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রক উপসাগরীয় দেশগুলিকে সতর্ক করে দিয়েছে, এই গাফিলতি বা দুর্ঘটনা থেকে সব দেশকে সাবধান থাকতে হবে না হলে সংঘাত বা যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে কাতার, বাহরিন, ইরাক, ইরান, কুয়েত, ওমান, আমিরশাহী, জর্ডন। কারণ এই দেশগুলির যাবতীয় তেল ব্যবসা, আমদানি, রপ্তানি চলে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী দিয়ে। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে পরমাণু চুক্তি নিয়ে তীব্র সংঘাত চলছে। এই সংঘাতের মধ্যেই সৌদি তেল ট্যাঙ্কারে নাশকতার ঘটনা উত্তেজনাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আফগানিস্তানে দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত মহিলা সাংবাদিক

আফগানিস্তানে দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত মহিলা সাংবাদিক

নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা , ১৫ই মে: বাংলায় আফগানিস্তানের এক মহিলা সাংবাদিককে গুলি করে খুন করল অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা। মৃতের নাম মীনা মঙ্গল। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে কাবুলের পূর্ব প্রান্তে। মৃত সাংবাদিক আফগানিস্তান পার্লামেন্টের সাংস্কৃতিক পরামর্শদাতা ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মীনা মঙ্গল নামে ওই সাংবাদিক ও নিউজ অ্যাঙ্কর স্থানীয় তিনটি টিভি চ্যানেলে চুক্তির ভিত্তিতে কাজ করতেন। শনিবার সকালে তিনি কর্মস্থলে যাওয়ার পথে তাঁকে গুলি করে খুন করে অজ্ঞাত পরিচয়ের দুষ্কৃতীরা। পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও হত্যার পিছনে মোটিভ কী, তা এখনও জানা যায়নি। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, গত পাঁচ মাসে আফগানিস্তান মোট ১৫ সাংবাদিককে বোমা মেরে খুন করা হয়েছে। যার মধ্যে একদিনেই খুন হয়েছেন ন’জন। মীনার খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ দায় স্বীকার করেনি৷ হত্যাকাণ্ড জঙ্গি হামলা নাকি নিতান্তই ব্যক্তিগত আক্রোশে, তা নিয়ে এখনও ধন্দে পুলিশ৷ প্রাথমিক অনুমান, একজন নয়৷ গুলি চালানোর ঘটনায় জড়িত একাধিক ব্যক্তি৷ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে শুরু হয়েছে তদন্ত৷