রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ ৫ কংগ্রেস নেতা লখিমপুরে যাওয়ার অনুমতি পেলেন । উত্তরপ্রদেশের লখিমপুরে কৃষক-হত্যার পর গোটা দেশ উত্তাল। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলের কোনও নেতৃত্বকে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ প্রশাসন লখিমপুরে যাওয়ার অনুমতি পর্যন্ত দিচ্ছিল না।
প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে ৩৫ ঘণ্টা আটক করে রাখরা পর গ্রেফতার পর্যন্ত করা হয়েছিল ঘটনার প্রতিবাদ করার অপরাধে। রাহুল গান্ধী এদিন আসরে নামার পর অবশেষে উত্তরপ্রদেশের যোগী প্রশাসনের ঘুম ভাঙল। রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ ৫ কংগ্রেস নেতা লখিমপুরে যাওয়ার অনুমতি পেলেন।
উল্লেখ্য, কৃষকদের উপর পরিকল্পিত হামলা ও হত্যাকাণ্ডের পর কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী লখিমপুরে যাওয়ার পথে বাধা পান। তাঁকে আটক করে রাখা হয়। প্রায় ৩৫ ঘণ্টা একটি গেস্ট হাউসে তাঁকে আটকে রাখার পর গ্রেফতার পর্যন্ত দেখানো হয়। এদিন তিনি জামিন নিতে অস্বীকার করেন। ওদিকে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল লখিমপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়।কিন্তু রাহুল গান্ধীকেও আটকানো হয়। এরপর সাংবাদিক বৈঠক করে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি হুঁশিয়ারি দেন, যোগী সরকারের অনুমতি না পেলেও লখিমপুরে ঢুকবেন তিনি। কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলকে নিয়েই তিনি ঢুকবেন। যোগী প্রশাসনের ক্ষমতা থাকে তাঁকে আটকে দেখাক। এই ঘটনায় নতুন অশান্তি ছড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়। এরপর যোগী প্রশাসন রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ পাঁচ নেতাকে লখিমপুরে যাওয়ার অনুমতি দেয়।
আর ও পড়ুন মহালয়ার পুণ্যলগ্নে তর্পণ করার জন্য গঙ্গার ঘাটগুলিতে পড়েছে লম্বা লাইন
অনুমতির পর রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী তাঁদের দলের আরও তিন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে নিয়ে রওনা দেন লখিমপুরের উদ্দেশে। কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা ছাড়াও রয়েছেন শচীন পাইলট, ভূপেশ বাঘেল ও চরণজিৎ সিং চান্নি।
উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর-কাণ্ড নিয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করে রাহুল গান্ধী বলেন, গতকাল লখনউয়ে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। কিন্তু তাঁর সময় হয়নি লখিমপুরে একবার যাওয়ার। এর থেকেই স্পষ্ট, পরিকল্পনা করে হামলা চালানো হয়েছিল লখিমপুরে।



















