২২ ডিসেম্বর, বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে সুবিমল গোস্বামী নামখানা চলনসই হলেও এখন আর ওই নাম তেমন আর কেউ চিনে উঠতে পারবে না।কিন্তু যে নামে ডাকলে একবাক্যে সকলের মনে পরে যায়, তা হল আমাদের চুণী গোস্বামী। ভারতীয় ফুটবলের প্রথম আদি ও অকৃত্রিম পোস্টারবয় চুণী গোস্বামী।যদিও বাবা-মায়ের দেওয়া সুবিমলকে চুণী হয়ে উঠতে বেশি কাঠখড় পোড়াতে হয়নি।ক্রিকেট-ফুটবল দুই খেলাতেই ময়দান কাঁপাতেন চুণী গোস্বামী।সাথে হকি খেলাতেও বেশ পারদর্শী ছিলেন তিনি।
স্ট্রাইকার হিসাবে ৫০টি আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ খেলেছেন তিনি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলার হয়ে রঞ্জি ট্রফির ম্যাচও খেলেছেন। ১৯৬৩ সালে অর্জুন পুরস্কার, ১৯৮৩ সালে পদ্মশ্রী ও ২০০৫ সালে মোহনবাগান রত্ন পুরস্কার পেয়েছেন চুনী গোস্বামী।
কোচের প্ল্যানিং-এ না থাকলেও, অদ্ভুতভাবে দলে অভিষেক হয়ে গেল চুণী। একেবারে অপ্রত্যাশিতভাবেই পেয়ে গেছিলেন নিজের প্রিয় লেফট ইনসাইড স্ট্রাইকার পজিশন। সেই থেকেই পথ চলা শুরু। নিজের পছন্দের ক্লাব আর পছন্দের লেফট ইনসাইডেই নিজের কেরিয়ার।মোহনবাগানের ছেলে হিসেবে যদি প্রথম সারিতে উঠে আসে সুব্রত-শৈলেনের নাম তবে চুণী গোস্বামী নির্দ্বিধায় এই তালিকায় শীর্ষ স্থানটি দাবি করেন।
মোহনবাগানের ছেলে হিসেবে যদি প্রথম সারিতে উঠে আসে সুব্রত-শৈলেনের নাম তবে চুণী গোস্বামী নির্দ্বিধায় এই তালিকায় শীর্ষ স্থানটি দাবি করেন।১৯৬২ সালে তাঁর কাঁধে ভর করেই এল এশিয়ান গেমসে সোনা, ভারতীয় ক্রীড়ার সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায়।ফুটবলের পর ক্রিকেটের ইনিংস শুরু এবং তাতেও বাংলার হয়ে রঞ্জি ট্রফি ও দলীপ ট্রফিতে খেলা, অধিনায়কত্ব লাভ করেন তিনি! এমন আশ্চর্য প্রতিভার সন্ধান হয়তো এখনও বাংলায় খোঁজ মেলেনি।



















