
নামটা শুনলেই গোটা দেশের শিরদাঁড়া যেন সোজা হয়ে যায়। কারও, কারও আবার শিরদাঁড়া দিয়ে ভয়ের হিমশীতল স্রোত বয়ে যায়। অদ্ভুতভাবে ‘আজাদ কাশ্মীর’–এর এক ছেলে এখন ক্রিকেট দুনিয়া কাঁপাচ্ছেন। বেশ কিছু বছর ধরেই।
১৯৬৭ সাল। তাঁর পরিবার ‘আজাদ কাশ্মীর’ ছেড়ে সোজাসুজি বিলেতে পাড়ি দেয়। জিওফ্রে বয়কটের ইয়র্কশায়ারে। সেখানে ব্র্যাডফোর্ডে জন্ম আদিল উসমান রশিদের। ইংল্যান্ড লেগ স্পিনারের। আদিলের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে ‘আজাদ কাশ্মীর’–এর নেই কোনও যোগাযোগ। কবে, কোন সময়ে ঠাকুরদা কাশ্মীর ছেড়ে ইংল্যান্ডে গেছেন তা নিয়ে আদিলের আর কী–ই বা করার রয়েছে! আদিল রশিদের কাছে বিলেতই হল ঘর–বাড়ি। জন্মভূমি। তবে নিবিড় যোগাযোগ পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সঙ্গে। সেখানে প্লাস্টিক সার্জারির গুণাবলী নিয়ে সাধারণ মানুষের চেতনা বাড়ান।
নিয়মিত খেলেন ইংল্যান্ড দলে। এবার বিশ্বকাপেও নিয়মিত প্রতিটা ম্যাচে হাত ঘোরাচ্ছেন ‘দিল’। ব্রিটিশ লেগ স্পিনারের ডাকনাম ‘দিল’। শুক্রবার লিডসের হেডিংলিতে ‘দিল’ দিয়েই বোলিং করলেন আদিল। তাঁর ৩০তম ওভারই শ্রীলঙ্কা ইনিংসে ম্যাচের রং বদলে দেয়। যখন ম্যাথুজ–কুশল মেন্ডিস জুটি দ্বীপরাষ্ট্রের রান বেশ ভাল জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন ঠিক তখনই গুগলি, ফ্লিপার বেরিয়ে এল। ২৯.৪ ওভারে কুশলকে এবং পরের বলেই (২৯.৫) জীবন মেন্ডিসকে আউট করে মর্গানের দলের পালে হাওয়া লাগালেন। বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিকের মুখোমুখি হয়েও শেষ পর্যন্ত বঞ্চিত এই লেগ স্পিনার। হেডিংলিতে দাগ রেখে গেলেন। বড়, বড় টার্নে।



















