কলকাতা – আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এবার গ্রেফতার হয়েছেন মোমো সংস্থার ম্যানেজার মনোরঞ্জন সিট। পাশাপাশি রাজা চক্রবর্তী নামে সংস্থার ডেপুটি ম্যানেজারকেও নরেন্দ্রপুর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ তাঁদের আটক করে। এর আগে ডেকরেটর্সের মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আনন্দপুরের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় কতটা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ছিল, সেটাই এখন তদন্তের মূল ফোকাস।
ঘটনার তদন্তে জানা গেছে, আনন্দপুরের আগুনে ইতিমধ্যেই ২৫টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। আরও কারও দেহ আটকে থাকতে পারে এমন আশঙ্কায় উদ্ধারকাজ চলমান। দমকলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ওয়াও মোমো’র গুদামে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা যথাযথ ছিল না। নিয়মিত অডিট হওয়া উচিত ছিল, তবে তা ঠিকমতো করা হয়েছিল কি না সেটাও প্রশ্নের মুখে। গাফিলতির অভিযোগে ধৃত দুই ম্যানেজারকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। নরেন্দ্রপুর থানায় ২৭ জনের নামে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছিল, যার মধ্যে ২৫ জনের দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে। ধৃতদের আদালতে তোলা হবে।
গত রবিবার ভোর তিনটের দিকে আনন্দপুরের নাজিরাবাদে একটি ডেকরেটর্সের গুদামে আগুন লাগে। দ্রুতই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের মোমো কারখানার গুদামে। তখন কয়েকজন কর্মী গুদামের ভিতরে ছিলেন। প্রচুর দাহ্য পদার্থ থাকার কারণে আগুন নিমেষে দাবানলের আকার ধারণ করে। গুদামে মূলত শুকনো, প্যাকেটজাত খাবার ও ঠান্ডা পানীয়ের বোতল মজুত ছিল। কীভাবে আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়, তবে অনুমান, গুদামের ভিতরে থাকা কর্মীদের রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটতেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত।




















