মাঠে তখন শুধুই হলুদ ঝড়। প্রায় প্রত্যেক বারের মতন আবারও নেইমারই নায়কের ভূমিকা পালন করল। কোপা আমেরিকার প্রথম ম্যাচেই ভেনেজুয়েলাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিলেন নেইমাররা।
https://twitter.com/CopaAmerica/status/1404205122461261825?s=19
এদিন ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে একেবারে চেনা ছন্দে নেইমার। প্রতিপক্ষ ভেনেজুয়েলা এমনিতেই ম্যাচ শুরুর আগে জেরবার করোনায়। দলের ফুটবলার ও সাপোর্টিং স্টাফ মিলিয়ে মোট ১২জন করোনা আক্রান্ত। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে দল গড়তেই এদিন হিমশিম অবস্থা ছিল ভেনেজুয়েলার। তারউপর প্রথম ম্যাচেই প্রতিপক্ষ হেভিওয়েট ব্রাজিল। নেইমাররা শুরু থেকেই পথ নিয়েছিল অ্যাটাকিং ফুটবলের। যাই হয়ে যাক, আক্রমণ থেকে তাঁরা সরবেন না। কোচ তিতে যেন পণ করে নিয়েছিলেন। আর ম্যাচের শুরু থেকেই নেইমারের চেনা ঝলক।
https://twitter.com/CopaAmerica/status/1404189810072375308?s=19
দুটি গোল করালেন ও একটি গোল করলেন।ম্যাচের ২৩ মিনিটে নেইমারের কর্নার থেকে পা ছুইঁয়ে গোল করে ব্রাজিলকে প্রথমে এগিয়ে দেন মারকুইনোস। প্রথমার্ধে এক গোলেই এগিয়ে থাকে ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের আরও ঝাঁঝ বাড়ে সেলেকাওদের। ম্যাচের ৬৪ মিনিটে ড্যানিলোকে নিজেদের বক্সে ফেলে দেন লুই মার্টিনেজ। পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। গোল করতে ভুল করেননি নেইমার। গ্যারিঞ্চার নামাঙ্কিত স্টেডিয়ামে তখন যেন শুধুই হলুদ ঝড়। প্রতিপক্ষের ডিফেন্স নিয়ে ছেলে খেলা করছেন ক্যাসিমেরো-গ্যাব্রিয়েল জেসুস, নেইমাররা। ভেনেজুয়েলাও পাল্টা আক্রমণ করছিল ঠিকই। কিন্তু উইং প্লেতেই সব আক্রমণ শেষ হতে থাকে তাঁদের।ম্যাচের ৮৯ মিনিটে স্বপ্নের পাসিং ফুটবল। ম্যাচের ৬৫ মিনিটে পরিবর্ত হিসেবে নামা গ্যাব্রিয়েল বারবোসার সঙ্গে পাস খেলে বিপক্ষে বক্সে ওঠেন নেইমার।
https://twitter.com/CopaAmerica/status/1404212038507941888?s=19
মার্কারহীন বারবোসাকে ফাইনাল পাস। সেখান থেকে গোল করতে ভুল করেননি বারবোসা। ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।পেনাল্টি থেকে ১ টি গোল করলেন। গোল করালেন আরও ২টি। এই নেইমারের জন্যই তো রাত জাগতে চায় ভারতের ফুটবল দর্শকরা। আর এদিন নেইমারের পারফরম্যান্স জানিয়ে দিল, কোপার বাকি ম্যাচে আরও ম্যাজিক মজুত রয়েছে।



















