রাজ্য – আবাসনের মধ্যে ভোটকেন্দ্র করার বিরোধিতা করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে চিঠি পাঠালেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না বলেই স্পষ্ট করে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি জানান, এই সংক্রান্ত সমস্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের আওতাভুক্ত। সেই কারণেই মন্ত্রীর পাঠানো চিঠি নির্বাচন কমিশনের কাছেই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সিইও মনোজ আগরওয়াল আরও জানান, আবাসনের মধ্যে ভোটকেন্দ্র করা হবে কি না, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনই নেবে। রাজ্য স্তরে এই বিষয়ে কোনও একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২২ ডিসেম্বরের মধ্যেই রাজ্যের সমস্ত হাইরাইজ বিল্ডিং-এর তালিকা সিইও দফতরে জমা পড়বে। রাজ্যের প্রতিটি জেলার জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা নিজেদের এলাকার হাইরাইজ আবাসনের বিস্তারিত তালিকা প্রস্তুত করে সিইও দফতরে পাঠাবেন।
ওই তালিকা হাতে পাওয়ার পর তা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। নির্বাচন দফতর সূত্রে খবর, এই তথ্যের ভিত্তিতেই কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের কতগুলি হাইরাইজ আবাসনে ভোটকেন্দ্র করা হবে।
ভোটারদের সুবিধা, নিরাপত্তা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা—এই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখেই নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গিয়েছে। আবাসনের মধ্যে ভোটকেন্দ্র স্থাপন নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্য প্রশাসন।




















