কাঁথি: মহাঅষ্টমীতে নিজের বাড়ি কাঁথিতে পুজো দিতে হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার একটি ক্লাবের দুর্গাপুজো মণ্ডপে দেবী দুর্গার পুষ্পাঞ্জলি ও আরতিতে অংশ নেন তিনি। পুজো দেওয়ার পর নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, পুজো-অর্চনা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়, এর সঙ্গে সরকারি পদের কোনও সম্পর্ক নেই।
“কমিউনিস্ট বা জামাত নই, আমি সনাতনী”
পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই অন্য দর্শনার্থীদের সঙ্গে পুষ্পাঞ্জলি দেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর নিজেই দেবী দুর্গার আরতি করেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের ধর্মীয় পরিচয় প্রসঙ্গে স্পষ্ট বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “আমি নাস্তিক বা কমিউনিস্ট বা জামাত নই। বরং সম্পূর্ণ সনাতনী হিন্দু পরিবারের সন্তান আমি।” তাঁর দাবি, প্রতিবছরই তিনি এইভাবে পুজো দিয়ে থাকেন। এ বার নতুন করে কিছু করছেন না। নিজের বয়স ৫৬ বছর উল্লেখ করে তিনি জানান, গত ৫০ বছর ধরে এই নিয়ম মেনে পুজো করে আসছেন।
শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, অঞ্জলি দেওয়া, পুজো করা কিংবা আরতিতে অংশ নেওয়া তাঁর ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় বিশ্বাসের অংশ। কোনও সরকারি পদে থাকার সঙ্গে এই বিশ্বাসের সম্পর্ক নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
বাংলার সংস্কৃতি ও রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য
এ দিন বাংলার সংস্কৃতি এবং রাজনীতির পরিবেশ নিয়েও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বাংলার সংস্কৃতি ও রাজনীতিতে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে। এ প্রসঙ্গে তিনি ‘কোকরোচ’ ও ‘ছারপোকা’ থেকে সতর্ক থাকার কথা বলেন।
মহাঅষ্টমীতে কাঁথিতে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর ধর্মীয় বিশ্বাসের ব্যাখ্যা থেকে শুরু করে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য—সব মিলিয়ে এ দিনের কর্মসূচি ঘিরে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।




















