আসানসোল – মঙ্গলবার সকালে আসানসোলের কুলপি থানার বড়িরা কয়লা খনিতে আচমকায় ধস নামে। খনির ভিতরে একাধিক যুবক আটকে পড়েন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কুলটি থানার পুলিশ এবং বিসিসিএল কর্তৃপক্ষ। খনির ধ্বংসস্তূপ থেকে তিনজনের দেহ উদ্ধার করা হয় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় আরও দুইজনকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে খনির ভিতরে আর কেউ আটকে আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে একদল যুবক অবৈধভাবে কয়লা চুরি করার উদ্দেশ্যে খনির ভিতরে নেমেছিলেন। কয়লা কাটার সময় আচমকায় খনির উপরের অংশ ধসে পড়ে। ধসের সময় দুজন যুবক কোনমতে খনির বাইরে বেরিয়ে এসে পালিয়ে যান। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যান আরও কয়েকজন। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। মৃত তিনজনের নাম গীতা বাউড়ি, সুরেশ বাউড়ি ও টিপু মল্লিক। তাঁদের বয়স ৩৫ থেকে ৪২ বছরের মধ্যে। আহত দুজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আসানসোলের বিভিন্ন খনি থেকে কয়লা চুরির ঘটনা নতুন নয়। নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে কয়লা চুরি করতে খনির ভিতরে প্রবেশ করেন। বিসিসিএল কর্মী ও স্থানীয় তৃণমূল নেতা সুভাশিষ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ৩০০ ফুট নিচে কয়লা কাটার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষ রেল কর্তৃপক্ষ পুরো এলাকাটিকে কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে রেখেছে এবং পুলিশের পক্ষ থেকেও সাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবু স্থানীয় কিছু যুবক চোরা পথে খনিতে প্রবেশ করে কয়লা চুরি চালাচ্ছেন।



















