নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, ২১ ডিসেম্বর, ইছামতি নদীতে ভয়াবহ ভাঙ্গনের জেরে বসিরহাট আখার পুর গ্রামের স্কুল ঘরে আশ্রয় নিয়েছে দুর্গতরা।গ্রামবাসীর জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।ইতিমধ্যে নদীর বাঁধের ফাটলের কাজ শুরু করেছে সেচ দপ্তরের।তারপরে ফের ভয়াবহ ভাঙনের কবলে বসিরহাটের আখার পুর গ্রাম। বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট এক নম্বর ব্লকের আখারপুর ইছামতি নদীর প্রায় দেড়শ ফুট নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। বেশকিছু ঘর ও বিদ্যুতের খুঁটি নদীগর্ভে।
ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে গ্রামবাসীরা। কিছু পরিবারকে এখান থেকে সরিয়ে অন্যত্র জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। স্কুলে করা হয়েছে ত্রাণশিবির।বেশকিছু দুর্গতদের ত্রাণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।কিন্তু আতঙ্ক আর ভয় গ্রাস করেছে গ্রামের মানুষের।শীতকালের রাতের ঘুম কেড়ে গ্রামবাসীদের। ইরাকের শীতকালে এই ধরনের ভাঙ্গন দেখা যায়নি বলছেন গ্রামের মানুষ।তাই রাত পাহারায় বসেছে নদী বাঁধে গ্রামবাসীরা। ইতিমধ্যে সেচ দপ্তর কিছু বালির বস্তা ও ইটের খোয়া দিয়ে নদী বাঁধের কাজ শুরু করেছেন।দুর্গত গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন শহিদুল রাশেদা রিয়াজুল রা গত তিন মাস আগে শুরু হয়েছিল অল্প নদী ভাঙ্গন। আস্তে আস্তে নদী বাঁধের ফাটল দেখা দিয়েছিল। সেই সময় যদি দ্রুত কাজ করতো তাহলে ভয়াবহ ভাঙনের কবলে আমাদের পরতো হতনা। নদীগর্ভে চলে গেছে বেশ কিছু বাড়ি। আখারপুর নিকারিপারা মধ্য আখার পুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে এমনকি ভারত বাংলাদেশের জিরো পয়েন্ট ঘোজাডাঙা সীমান্তের সুইচগেট জল ঢুকে যেতে পারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় যদি কাজ না করে প্রশাসন।
বসিরহাটের এক নম্বর বিডিও তাপস কুন্ডু বলেন, “নদী ভাঙ্গনটা বেশ বড় আমরা সেচ দপ্তরকে সমস্ত বিষয় জানিয়েছি। সাময়িকভাবে কিছু কাজ শুরু করেছে। এটিএকটি বড় কাজ সেই অর্থ বরাদ্দ হলেই কাজ খুব দ্রুত শুরু হবে”।
ইছামতি নদীতে ভয়াবহ ভাঙ্গন, আতঙ্কে গ্রামবাসীরা
ইছামতি নদীতে ভয়াবহ ভাঙ্গন, আতঙ্কে গ্রামবাসীরা
Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



















