ইরান থেকে সেনা সরানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের, তেলবাজারে স্বস্তির আশা

ইরান থেকে সেনা সরানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের, তেলবাজারে স্বস্তির আশা

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


বিদেশ – ইরান থেকে খুব শীঘ্রই মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস থেকে তিনি জানান, বড়জোর দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে চলা সামরিক অভিযান শেষ করে দেশে ফিরবে মার্কিন বাহিনী। তাঁর দাবি, কাজ প্রায় শেষ এবং হাতে আর মাত্র পনেরো দিনের মতো সময় বাকি।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যায়। এই প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, তিনি ইরান থেকে সেনা সরিয়ে নিলেই তেলের দাম দ্রুত কমতে শুরু করবে। তাঁর কথায়, “আমরা খুব দ্রুত সেই কাজটাই করছি, আর কয়েকদিনের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলাবে।”
তবে সেনা প্রত্যাহারের জন্য ইরানের সঙ্গে কোনও ধরনের চুক্তিতে যেতে নারাজ ট্রাম্প। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, Iran যাতে ভবিষ্যতে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেটাই নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য। চুক্তি হোক বা না হোক, তা নিয়ে তাঁর বিশেষ আগ্রহ নেই বলেও জানান তিনি।
এদিকে যুদ্ধের পালটা হিসেবে ইরান Strait of Hormuz দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে। এই পরিস্থিতিতে বন্ধু দেশগুলোকেও কড়া বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমেরিকার উপর নির্ভর না করে অন্যান্য দেশগুলিকে নিজেদের তেলের জোগান নিজেরাই নিশ্চিত করতে হবে। তাঁর বক্তব্য, “ফ্রান্স বা অন্য কোনও দেশের তেল দরকার হলে তারা নিজেরাই হরমুজ প্রণালীতে যাক। চিনও নিজেদের ব্যবস্থা করুক।”
মঙ্গলবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম Truth Social-এ ট্রাম্প লেখেন, “আমেরিকা আর কাউকে সাহায্য করবে না। প্রয়োজনের সময় কেউ আমাদের পাশে ছিল না। ইরান এখন শেষ—কঠিন কাজটা আমরাই করে দিয়েছি, এবার সবাই নিজেদের মতো ব্যবস্থা করুক।”
একই সুরে বক্তব্য রেখেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব Pete Hegseth। তিনি জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিন এই যুদ্ধের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, ইরানের সামরিক শক্তি অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং তাদের পালটা আক্রমণের ক্ষমতা কমে এসেছে। তবে স্থলপথে সেনা নামানোর সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছেন না তিনি।
এই পরিস্থিতিতে ইরান-মার্কিন উত্তেজনা এবং তার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতি ও তেলবাজারে কীভাবে পড়ে, তার দিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top