
নিজস্ব সংবাদদাতা,আসানসোল,২৮ শে জুন:এক অদ্ভুত কান্ড, একটি বাড়ির মেঝের ৩-৪ফুট অংশ জুড়ে খুব উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ওই অংশে কোন পাত্র করে জল রাখলে গরম হচ্ছে খুব তাড়িতাড়ি। এই বিষয়টি লক্ষ করে আতঙ্কিত পরিবারের সদস্য সহ আশেপাশের প্রতিবেশিরা। ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোল কর্পোরেশনের জামুড়িয়া থানার অন্তর্গত ১ নং ওয়ার্ডের নন্ডি গ্রামে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে গত রবিবার থেকে এই ঘটনাটি ঘটছে। গৃহকর্তী শ্যামলী চ্যাটার্জী বলেন, রবিবার বৌমা বাড়ির মেঝে মুছার(পরিস্কার) সময় অনুভব করেন মেঝার ওই অংশে খুবই গরম। বাড়ির সদস্যদের এই বিষয়টি জানালে, তারা মনে করেন ওই অংশটি ফ্রিজ থাকার জন্য গরম হয়ে উঠেছে। তারা ফ্রিজটি অন্য জায়গায় সরিয়ে দেয়। তার পরেও ওই অংশে গমর কম না হওয়ায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রিকে ডেকে আনলে তিনি জানান এই গরম ইলেকট্রিকের জন্য নয়। এর পরেই আতঙ্ক ছাড়ায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাটি দেখতে ভিড় করে স্থানিয়রা। বাড়ির ছেলে পলাশ চ্যাটার্জী এই বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলার, জামুড়িয়া থানায় ও ইসিলের শ্রীপুর এরিয়ার জেনেরাল ম্যানেজার কে লিখিত ভাবে জানান। পলাশ বাবু বলেন এই বিষয়ে কেউ কোন সাহায্য করেনি। কোন অঘটনের সঙ্কেত কিনা, তা নিয়ে আতঙ্কিত গোটা পরিবার?
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে নন্ডি গ্রামের ওই বাড়ির দু পাশে ১০০ মিটারের মধ্যে রয়েছে কোম্পানী আমলের খনির চানক। একটি বুঝানো হলেও একটি এখনও পরিতপ্ত অবস্থায় রয়েছে। ওই অংশের মাটির নিচে রয়েছে সেই খনির পথ। সেখানে আগুন বা মিথেন গ্যাস উপরে উঠে আসার কারনে ঐ অংশে গরম হওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানিয়রা। প্রতিবেশী এক মহিলা জানায় এই ঘটনায় ব্লাস্ট হওয়ার একটি আশঙ্কা থাকতেই পারে তাই রাতে ঘুম হচ্ছেনা।
শ্রীপুর এরিয়ার জি.এম জে.সি রায় বলেন, এই বিষয়টি জানতে পেরে আমি ইসিএলের উচ্চাধিকারিকদের কাছে জানিয়েছি। দু-এক দিনের মধ্যে একটি ইসিএলের প্রতিনিধি দল সেখানে পরিদর্শনে যাবে। বিষয়টি কি তা জেনে সিদ্বান্ত নেবে। তিনি জানায় ওই অংশে কোম্পানী আমলের কয়লা খনি ছিল। সেই কারনে এই ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে তিনি অনুমান করেছেন।


















