এশিয়ার প্রথম সমপ্রেমী যুগলের বিয়েতে স্বীকৃতি দিল তাইওয়ান

এশিয়ার প্রথম সমপ্রেমী যুগলের বিয়েতে স্বীকৃতি দিল তাইওয়ান

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

আগামীদিনে বিনা কোনও ভয় বা চিন্তায় সমপ্রেমী যুগলরা exclusive permanent unions এবং বিয়ের রেজিস্ট্রেশন করাতে পারবেন। LGBTQ সম্প্রদায়ের মানুষদের জন্যে এক বড় জয় এসেছিল ১৭ মে। এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণার এক সপ্তাহের মধ্যেই ঘর বাঁধলেন দুই সমপ্রেমী যুগল।

শুক্রবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন তাইওয়ানের এই দুই নাগরিক। তাঁদের বিয়েই হল এশিয়ার প্রথম আইনি স্বীকৃতি পাওয়া গে ওয়েডিং। তিন দশকের দীর্ঘ লড়াইয়ের এক মধুর পরিণতি। তবে এই সফরে তাঁরা একা ছিলেন না। তাঁদের দিয়ে নয়া যুগের সূচনা হওয়ার পর একে একে বহু সমপ্রেমী দম্পতি বিয়ের রেজিস্টারে সই করলেন।

তাইপেইয়ের সরকারি দফতরে সংবাদমাধ্যম এবং বন্ধুবান্ধবদের সামনেই বিয়ের পর্ব সারলেন। হাতের বিয়ের শংসাপত্র এবং নতুন আইকার্ড নিয়ে বেরিয়ে এলেন নবদম্পতি হুয়াং মেই ইউ এবং ইউ ইয়া তিং। সংবাদসংস্থা এএফপি-কে দেওয়া সাক্ষাত্‍কারে হুয়াং জানিয়েছেন, ‘অনেক দেরিতে এই স্বীকৃতি পেলাম, তবে আমি খুবই খুশি এই জীবনেই বিয়ের আইনি স্বীকৃতি পেলাম।’

তবে এদিন প্রথম যে যুগল বিয়ের কাগজে সই করেন তাঁরা হলেন শেন লিন এবং মার্ক ইউয়ান। কলেজে পড়ার সময়েই একে অপরের প্রেমে পড়েন তাঁরা। চোখে জল নিয়ে সাংবাদিকদের লিন বলেন, ‘যাত্রাপথ মোটেই সহজ ছিল না। তবে আমি খুব ভাগ্যবান যে আমার পার্টনার, পরিবার এবং বন্ধরা আমার পাশে ছিলেন। আমি খুবই গর্বিত যে আমার দেশ এত প্রগ্রেসিভ।’

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top