রাজ্য – উৎসবের মরসুম এবং এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্ছিদ্র রাখতে বড়সড় পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। শুক্রবার রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল ও আইজিপি (আইন ও শৃঙ্খলা)-র দফতর থেকে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, রাজ্যের সমস্ত সশস্ত্র ব্যাটালিয়নকে শুক্রবার রাত থেকেই ‘এক্সট্রিম রেডিনেস’-এ থাকতে হবে। অর্থাৎ, যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হচ্ছে।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, SAP, SSF, RAF, EFR, নারায়ণী ও গোর্খা ব্যাটালিয়ন-সহ সমস্ত সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারদের অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। কম গুরুত্বপূর্ণ বা বিবিধ ডিউটি থেকে কর্মীদের ফিরিয়ে এনে ব্যাটালিয়ন হেডকোয়ার্টারে উপস্থিতি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকেই জরুরি ভিত্তিতে যে কোনও জায়গায় দ্রুত মোতায়েনের জন্য বাহিনীকে প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। নির্দেশটিকে ‘Most Urgent’ হিসেবে গণ্য করতে বলা হয়েছে।
প্রশাসনিক মহলের মতে, ভোটার তালিকা সংশোধন বা চূড়ান্ত প্রকাশের সময় অনেক ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তার সঙ্গে দোল উৎসবের ভিড় সামলানোর চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এই দুই পরিস্থিতি একসঙ্গে মোকাবিলা করতেই আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য পুলিশ।
অন্যদিকে জেলায় জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং ভোটার তালিকার জট খোলার প্রক্রিয়া ঘিরেও তৎপরতা বাড়িয়েছে ভারত নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ১ মার্চ থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী সক্রিয় ভূমিকায় থাকবে।
তিনি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই রাজ্যে এসে পৌঁছবে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ১ মার্চ থেকে পূর্ণাঙ্গ কাজ শুরু করবে। শুধু রুট মার্চ নয়, কোথাও আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা প্রশাসন সরাসরি তাদের কাজে লাগাতে পারবে। জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাহিনী ব্যবহার করার নির্দেশও রয়েছে। সিইও-র সাফ বক্তব্য, সেন্ট্রাল ফোর্স এলাকায় পরিদর্শন করবে এবং হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।



















