দিল্লি – ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও এসআইআর শুনানির নোটিস পেয়ে চরম আতঙ্কে আদিবাসী বৃদ্ধ দুর্জন মাঝির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে পুরুলিয়ায়। পরিবারের দাবি, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও যান্ত্রিক ত্রুটির অজুহাতে তাঁকে বারবার হেনস্তা করা হয়েছিল। এই ঘটনার বিচার চেয়ে এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দিল্লিতে পৌঁছেছেন মৃতের ছেলে কানাই মাঝি।
পরিবারের অভিযোগ, নোটিস পাওয়ার পর থেকেই মানসিক চাপে ভুগছিলেন দুর্জন মাঝি। বাবার মৃত্যুর ঘটনাকে ‘সরকারি গাফিলতির ফল’ বলে উল্লেখ করে কানাই মাঝি বলেন, সাধারণ মানুষকে এভাবে আতঙ্কিত করা হলে তার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে। তাঁর দাবি, ভোটার তালিকায় দীর্ঘদিন নাম থাকা সত্ত্বেও এসআইআর সংক্রান্ত নোটিস পাঠানো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে নিজের ক্ষোভ ও অভিযোগ জানাবেন কানাই মাঝি। তার আগেই তিনি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, কমিশনের অসহযোগিতার কারণেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।
বর্তমানে দিল্লির বাংলা ভবনে অবস্থান করছেন কানাই মাঝি। বাবার নিথর দেহ উদ্ধারের সেই যন্ত্রণার স্মৃতি সামনে রেখে তিনি ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে।




















