এসআইআর-পরবর্তী ভোটার তালিকা ঘিরে শুনানি শুরু, ‘নো ম্যাপিং ভোটার’দের নোটিশ পাঠাচ্ছে কমিশন

এসআইআর-পরবর্তী ভোটার তালিকা ঘিরে শুনানি শুরু, ‘নো ম্যাপিং ভোটার’দের নোটিশ পাঠাচ্ছে কমিশন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – বঙ্গে স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন (এসআইআর) পর্ব শেষ হওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকা প্রকাশের পর এবার শুনানির প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে কমিশন। বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন ভোটারের কাছে নোটিশ পাঠানো শুরু হচ্ছে। তবে এই নোটিশ সকল ভোটার পাবেন না বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

রাজ্যে হওয়া এসআইআর-এ ২০০২ সালের এসআইআরের সঙ্গে কোনও যোগসূত্র দেখাতে পারেননি প্রায় ৩০ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৭৩ জন ভোটার। এই ভোটারদের নির্বাচন কমিশনের তরফে ‘নো ম্যাপিং ভোটার’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মূলত এই তালিকাভুক্ত ভোটারদের কাছেই প্রথম পর্যায়ে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। নোটিশের মাধ্যমে তাঁদের শুনানিতে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

গত ১৬ ডিসেম্বর যে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়, সেখানে প্রথমে বাদ যাওয়া ভোটারদের নাম কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়। সেই তালিকায় মৃত ভোটার, ডুপ্লিকেট নাম, স্থানান্তরিত ভোটার এবং যাঁদের খুঁজে পাওয়া যায়নি— এমন ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কমিশনের তরফে জানানো হয়, অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নথি জমা না দেওয়া, ফর্ম না পাওয়া বা প্রশাসনিক জটিলতার কারণেও নাম বাদ পড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানির মাধ্যমে নিজেদের তথ্য সংশোধন বা প্রমাণ করার সুযোগ দেওয়া হবে।

নো ম্যাপিং ভোটারদের পাশাপাশি প্রায় ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারের এনুমারেশন ফর্ম নিয়েও সন্দেহ দেখা দিয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এই ভোটারদের তথ্য পুনরায় যাচাই করবেন বুথ লেভেল অফিসাররা (BLO)। যাচাইয়ের পরও যাঁদের ক্ষেত্রে সন্দেহ দূর হবে না, তাঁদেরও শুনানিতে ডাকা হবে। শুনানির সময় প্রামাণ্য নথি হিসেবে কমিশনের পক্ষ থেকে আগেই ১৩ ধরনের নথির কথা জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে একাধিক নথি জমা দিতে হতে পারে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের।

এই গোটা প্রক্রিয়া চলবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। তার পর ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। নোটিশ পাওয়ার পর ভোটারদের হাতে সাধারণত এক সপ্তাহ সময় থাকবে। নোটিশেই উল্লেখ থাকবে শুনানির স্থান, তারিখ ও সময়। নির্ধারিত দিনে কেউ হাজির হতে না পারলে, উপযুক্ত কারণ দেখাতে পারলে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হতে পারে বলেও জানিয়েছে কমিশন।

এদিকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল ৮৫ বছরের বেশি বয়সি ভোটারদের ক্ষেত্রে বাড়িতে গিয়ে শুনানি নেওয়ার প্রস্তাব ইসিআই দফতরে পাঠিয়েছেন। যদিও এই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top