রাজ্য – চলতি বছরে এসএসসির নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া আবারও পৌঁছে গেল আদালতের দোরগোড়ায়। শুক্রবার নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানতে চান—নিয়োগ পরীক্ষায় যোগ্য বাছাইয়ের মাপকাঠি কী? কেন ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য হয়েও বহু চাকরিপ্রার্থী বাদ পড়লেন? তাঁর পর্যবেক্ষণ, এসএসসি এমনভাবে এলিজিবিলিটি স্কোর ও চাকরির বয়সসীমা নির্ধারণ করেছে যে অনেকে শুরুতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে ছিটকে যাচ্ছেন। প্রশ্ন তুললেন—কারা যোগ্য, কীভাবে তাঁদের চিহ্নিত করেছেন? নতুন নিয়মে বয়সে যে ছাড়ের কথা বলা হয়েছে, তা থেকে ঠিক কারা সুবিধা পাবেন?
এই অবস্থায় রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত জানান, সুপ্রিম কোর্ট ও হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ মাথায় রেখেই ২০২৫ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, মামলাকারীরা নিজেদের মতো করে নয়া বিজ্ঞপ্তিকে ব্যাখ্যা করছেন। নির্দেশ মেনেই পদক্ষেপ করা হয়েছে, সবই আদালতের নজরে রেখেই। তবে শুক্রবার আদালত কোনও নির্দেশ দেয়নি। সোমবার রাজ্য ও এসএসসি নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে।
অন্যদিকে, মামলাকারীদের অভিযোগ—এসএসসি ২০২৫-এর নতুন বিজ্ঞপ্তির নিয়ম তৈরি হয়েছে খেয়ালখুশিভাবে। ২০১৬ সালের নিয়োগ দুর্নীতির সমাধান না করেই নতুন ভুল পথে হাঁটছে কমিশন। অভিযোগ, যোগ্য ও অযোগ্যদের কোনও তালিকা প্রকাশ করেনি এসএসসি, ফলে প্রকৃত বাছাই কোথায় স্পষ্ট নয়। এর জেরে ‘দাগি’ অযোগ্য প্রার্থীরাও নতুন নিয়োগ পরীক্ষায় বসতে পেরেছেন বলে দাবি।




















