কোলকাতা – কয়লা পাচার ও আইপ্যাক কাণ্ডের তদন্তে গতি আনতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শুক্রবার ইডির অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন সংস্থার ডিরেক্টর রাহুল নবীন। সেখানেই তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান। তদন্তকে আরও কার্যকর করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে খবর।
ইডি সূত্র জানিয়েছে, দিল্লির অফিসারদের সঙ্গে কলকাতার ইডির আধিকারিকদের নিয়ে একটি বিশেষ দল গঠন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই বিশেষ তদন্তকারী দলই কয়লা পাচার থেকে শুরু করে আইপ্যাক সংক্রান্ত সমস্ত মামলার তদন্ত সামলাবে। একাধিক মামলায় জটিল আর্থিক লেনদেন ও আন্তঃরাজ্য যোগসূত্র থাকায় তদন্তে সমন্বয় বাড়াতেই এই উদ্যোগ।
প্রসঙ্গত, আইপ্যাক দফতরে ইডির তল্লাশির সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মামলার সূত্রপাত হয়েছিল দিল্লিতে। পরে বাংলার সঙ্গে যোগসূত্র সামনে আসতেই তদন্তের পরিধি বাড়ে। ইডি সূত্রের দাবি, এই মামলায় হাওয়ালা নেটওয়ার্কও সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে। সেই কারণেই দিল্লি ও কলকাতার অফিসারদের একসঙ্গে রেখে তদন্ত চালানোর উপর জোর দিচ্ছেন ইডি ডিরেক্টর।
শুক্রবারের বৈঠকে আইপ্যাক তদন্তের সমস্ত দিক খুঁটিয়ে জানতে চান রাহুল নবীন। তল্লাশির দিন ঠিক কী কী ঘটেছিল, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেন তিনি। তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী কখন ঘটনাস্থলে এসেছিলেন, তাঁর সঙ্গে কোন কোন পুলিশ কর্মী ছিলেন—এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর।
এছাড়াও নিম্ন আদালতে চলমান বালি পাচার ও কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলাগুলির অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট মামলার আইনজীবীদের সঙ্গেও কথা বলেছেন ইডি ডিরেক্টর। কেন একাধিক মামলায় এখনও বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি, তা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অফিসারদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।




















