
নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়া, ৩০ মার্চ, লকডাউন-এর পর থেকে আতঙ্কে অপরাধের পরিমাণ কমেছে অনেকটাই। জেলার দুটি মহিলা ও একটি সাইবারক্রাইম সহ ২৩ টি থানার লকাপ কার্যত ফাঁকা। জেলার দুটি আদালত বন্ধ থাকায় স্থানীয় থানায় আটকের সংখ্যা বাড়তে পারত অনেকটাই। কিন্তু লোকডাউনের পর থেকে জেলার ৮-১০টি বড় অপরাধের মধ্যে শান্তিপুর থানায় মাত্র দুটি, তাও অভিযোগকারীর বক্তব্য অনুযায়ী দোষী পলাতক।
বিগত দিনের তুলনায় গৃহবন্দী র মধ্যে থানায় অভিযোগ পত্র প্রায় নেই বললেই চলে। স্বভাবতই বেশ ফাঁকা শান্তিপুর থানা। আজশান্তিপুর অগ্নিনির্বাপণ কেন্দ্রের সাব অফিসার ইনচার্জ শ্যামসুন্দর পন্ডিত সহ এক প্রতিনিধিদল সকাল ১০ টা থেকে দুই ঘন্টা যাবৎ শান্তিপুর থানা সাফাই অভিযান করেন। লকআপ ,অভিযোগ কক্ষ, আধিকারিক কক্ষ, ডিআইবি বিভাগ, ক্যান্টিন, বাজেয়াপ্ত মোটরসাইকেল, মালখানা শববাহী গাড়ি, পুলিশ আবাসন, ভ্রাম্যমান প্রচার গাড়ি সহ প্রতিটা বিষয় শান্তিপুর থানার ওসি সুমন দাস সহ অফিসারগণ গুরুত্ব সহকারে এই কাজে তৎপর হতে দেখা যায়।



















