
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ৯ মে, পূজা অধিকারী, করোনা আবহে রাজ্যজুড়ে চলছে লকডাউন।লকডাউনের জেরে বন্ধ রয়েছে সমস্ত স্কুল, কলেজ।মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইন ক্লাস চলছে।চলতি পরীক্ষাও স্থগিত হয়ে গিয়েছে লকডাউনের দরুন, পাশাপাশি বহু পরীক্ষা পিছিয়ে পড়েছে।লকডাউনের মাঝেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন গ্রীষ্মকালীন ছুটি সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগামী ১০ই জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। আর তার ফলেই পিছিয়ে যায় কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সমস্ত সেমিস্টার।এদিন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেমিস্টার বিষয়ক আলোচনা হয়। বৈঠকের পর শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, ১০ই জুন পশ্চিমবঙ্গের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি খোলার এক মাসের মধ্যেই ফাইনাল পরীক্ষাগুলি নেওয়া হবে। শনিবার রাজ্যের উপাচার্যদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ফাইনাল সেমেস্টারগুলি কত নম্বরের হবে এবং অনলাইন ব্যবস্থায় নেওয়া হবে কি না। সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর ছেড়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। অন্য যে সেমেস্টারগুলি স্থগিত রয়েছে, সেগুলির ক্ষেত্রে কী করা হবে তা-ও ঠিক করবে বিশ্ব বিদ্যালয়গুলি।রাজ্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ছাত্রছাত্রী মোট ১৯ লক্ষ। এছাড়া সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বা সামাজিক দূরত্ব এখন দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠেছে। তাই সরকারের তরফ থেকে সেদিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে।
শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, “কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি অপেক্ষা করে আছে পুনরায় শিক্ষা ব্যবস্থা সচল করার। কিভাবে পরীক্ষা নেওয়া হবে বা কি পদ্ধতি মেনে হবে সে বিষয়ে উপাচার্যদের সঙ্গে কথা হয়েছে। ১০ই জুনের পর হোস্টেল ও বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজগুলি স্যানিটাইজেশন করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে”। প্রসঙ্গত মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, সমস্ত সেমিস্টার ও পরীক্ষা এক ধাপ এগিয়ে দেওয়া হবে।একেবারে চূড়ান্ত সেমিস্টার দিলেই হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।অন্যদিকে সূত্রের খবর, আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা অন্য জায়গায় গিয়ে দিতে হত কিন্তু এবার করোনা সংক্রমণ এড়াতে সোশ্যাল ডিস্টেন্স মেনে হোম সেন্টারেই ধাপে ধাপে পরীক্ষা হতে পারে।



















