কাজ দেওয়ার নাম করে যুবতীকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ,গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

কাজ দেওয়ার নাম করে যুবতীকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ,গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নিজস্ব সংবাদদাতা,বাগদা , ৩১ শে মে: নেপাল সীমান্তে কাজ দেওয়ার নাম করে নিয়ে গিয়ে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার এক যুবক। ধৃতের নাম সঞ্জিব বিশ্বাস (অপূর্ব)। বাগদা বাজিৎপুর বিজয়নগরের বাসিন্দা। গতকাল তাকে বাগদা থানার সিদ্রানী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে বাগদা থানার পুলিশ।
সূত্রের খবর, এক পরিচিত যুবকের মাধ্যমে অপূর্বের সঙ্গে পরিচয় হয় বাগদার মৌশমপুর এলাকার এক যুবতীর সঙ্গে। অপূর্ব তখন নিজেকে ডাক্তার বলে পরিচয় দেয় ওই যুবতীকে। তখন সে যুবতিকে ভারত – নেপাল সীমান্তে তার ডাক্তারি চেম্বারে কাজের ও প্রস্তাব দেয়। যুবতী পরিবারে গিয়ে অপূর্ব ও তার বন্ধু গিয়ে কাজের কথা বলে। পিতা হারা দরিদ্র পরিবারের মেয়েটি উপার্জন করতে তাদের সঙ্গে যেতে রাজি হয়। তাকে নেপাল সীমান্ত লাগোয়া আলিগড়বা নিয়ে যায়। অভিযোগ সেখানে অপূর্বের কোন ডাক্তারি চেম্বার ছিলনা। তাকে কোন কাজ না দিয়ে একটি ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হত। প্রতিবাদ করলে চলত বেধড়ক মার। সেখানে বেশ কিছুদিন থাকার পরে মেয়েটিকে নিয়ে অপূর্ব নেপালের হাড়িয়া এলাকায় চলে যায়। সেখানে তাকে অপূর্ব ও তার বন্ধুরা গনধর্ষণ করে ও তা মোবাইলে ভিডিও করে রাখে বলে অভিযোগ। চলতি বছরের গত মার্চ মাসের ১৯ তারিখ সেখান থেকে মেয়েটি পলিয়ে আসলে তাকে ফোনে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দিতে থাকে তারা। ও ফিরে যেতে বলে। ভয়ে মেয়েটি থানায় যেতে না পেরে রেজিষ্টি পোষ্টের মাধ্যমে বনগাঁ এসডিপিও এর আছে অভিযোগ জানায়। অভিযোগ পেয়ে গতকাল সিদ্রানী এলাকা থেকে অভিযুক্ত অপূর্বকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ তাকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top