কাটমানি ফেরতের দাবিতে তৃণমূল বুথ সভাপতির বাড়ি ঘেরাও

কাটমানি ফেরতের দাবিতে তৃণমূল বুথ সভাপতির বাড়ি ঘেরাও

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নিজস্ব সংবাদদাতা,বীরভূম,৩ রা জুলাই : কাটামানি ফেরতের দাবিতে এখনো উত্তপ্ত বীরভূম। উত্তপ্ত বললে ভুল হবে, যতই দিন যাচ্ছে ততই আন্দোলন এবং বিক্ষোভ বেড়েই চলেছে। আর এই সকল বিক্ষোভ ও ঘেরাওকে সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে তৃণমূল নেতাদের। শুধু ঘেরাও বললেও ভুল, গত দুদিনে বীরভূমে কাটমানি ইস্যুতে দুই তৃণমূল নেতাকে মারধরের মতো ঘটনাও ঘটেছে।

বিক্ষোভ এবং ঘেরাওকে সামাল দিতে অনেকক্ষেত্রেই তৃণমূল নেতাদের দেখা গিয়েছে ঘর বন্ধ করে বসে থাকতে অথবা তালা লাগিয়ে অন্যত্র পালাতে। আজ সকালেও এই ঘটনার ব্যতিক্রম হলো না। সকাল হতে না হতেই বীরভূমের দুটি জায়গায় কাটমানি ফেরতের দাবিতে তৃণমূল বুথ সভাপতিদের বাড়ি ঘেরাও করে স্থানীয় বাসিন্দারা।

প্রথম ঘটনায় দেখা যায়, বীরভূমের নানুর থানার অন্তর্গত জলঙ্গি গ্রামের তৃণমূল বুথ সভাপতি মনোজ রায়ের বাড়ি ঘেরাও করে এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়রা বিজেপির পতাকা হাতে মিছিল করেছে ওই তৃণমূল নেতার বাড়ি ঘেরাও করে। যদিও দেখা যায় ওই তৃণমূল নেতা বাড়িতে ছিলেন না।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ১০০ দিনের কাজ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্প এবং অন্যান্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে তৃণমূল বুথ সভাপতি মনোজ রায় প্রচুর টাকা আত্মসাৎ করেছেন। স্থানীয়দের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ দিয়েছেন সেই সকল আত্মসাৎ করা টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য। তাই অবিলম্বে আমাদের সেই সকল টাকা ফেরত দিতে হবে।

যদিও তৃণমূল ওই বুথ সভাপতি মনোজ রায়ের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কোন রকম টাকা তিনি আত্মসাৎ করেন নি। এসব বিজেপির চক্রান্ত, বিজেপির চক্রান্ত করে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

বিক্ষোভ ও বাড়ি ঘেরাওয়ের পরিস্থিতি সামাল দিতে পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নানুর থানার পুলিশ।

অন্যদিকে আজ সকালে একই অভিযোগে ইলামবাজারের সুখ বাজার এলাকার তৃণমূল বুথ সভাপতি বিকাশ সরকারের বাড়িও ঘেরাও করে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাকে ঘেরাও করে টাকা ফেরতের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। এক্ষেত্রেও ওই তৃণমূল নেতা টাকা আত্মসাতের কথা অস্বীকার করেছেন।

সুখ বাজার এলাকার বুথ সভাপতি বিকাশ সরকার জানান, “আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আর এই চক্রান্তের পিছনে রয়েছে বিজেপি।”

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে ঘটনার খবর পেয়ে ইলামবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top