রাজ্যে সরকারি চাকরিতে যোগ দিতে গেলে বাংলা ভাষা জানতে হবে, বললেন মুখ্যমন্ত্রী। চাকরি ক্ষেত্রে ভাষা নিয়ে সওয়াল মুখ্যমন্ত্রীর। বুধবার মালদা কলেজ অডিটোরিয়ামের দুর্গাকিঙ্কর সদনে প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। সেই বৈঠকে ‘কর্মসৃষ্টি’ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কর্মসৃষ্টি যখন হয়, আমি সব রাজ্যের জন্য বলছি। সেই রাজ্যের ছেলেমেয়েরা যেন চাকরিটা পায়। বাংলায় যারাই বসবাস করুক, বাংলা হতে পারে, রাজবংশি হতে পারে, কামতাপুরি হতে, আমার সেই ক্ষেত্রে আপত্তি নেই।
বাংলা ভাষা তাঁকে জানতে হবে। বাংলায় তার ঠিকানা হতে হবে। সেরকমই বিহারের ক্ষেত্রে বিহারের লোকেদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। উত্তরপ্রদেশের ছেলেমেয়েরা উত্তরপ্রদেশে চাকরি পাবে। সব রাজ্যের ছেলেমেয়েরা যেন কর্মসৃষ্টিতে চাকরি পায়। চাকরির জন্য অনেক রাজ্যে সর্ভিস কমিশন আছে। তারা চাকরিটা পায় নম্বরের ভিত্তিতে। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে কথা আমি বলছি না, রাজ্য সার্ভিস কমিশনের কথা আমি বলছি। সর্ব ভারতীয় চাকরির নিয়মটা হচ্ছে, সব রাজ্যের ছেলেমেয়েদের নেওয়া।
আর ও পড়ুন কপ্টার দুর্ঘটনা, মাঝপথে প্রশাসনিক বৈঠক থামালেন মমতা
রাজ্যে যেসব সার্ভিস কমিশন রয়েছে, কেউ ভাল করলে চাকরিটা সেই পেয়ে যায়। কিন্তু স্থানীয় ছেলেমেয়েরা বঞ্চিত থেকে যায়। তার কারণ, তার নম্বরটা ওর থেকে কম। যে যখন সরকারি কাজটা করছে, দেখা যায় স্থানীয় ভাষাটা জানে না। ফলে মানুষ যখন বিডিও অফিসে যায়, বা এসডিও-র কাছে যাচ্ছে, সে বাংলায় কথা বলছে, অথচ অফিসাররা বাংলাটাই বোঝে না। ফলে চিঠিটাও যেমন পড়তে পারছে না, না পারছে উত্তরটা দিতে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় ভাষাটা জানা অত্যন্ত জরুরী বলে মনে করি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ছেলেমেয়েরা আরও ভাষা জানুক, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু যেখানে কাজ করবে, সেখানকার স্থানীয় ভাষা জানতে হবে। তানা হলে মানুষের সমস্যা শুনবে কী করে, সমাধানটাই করবে কী করে?’ পাশে বসে থাকা মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই বিষয়টি বৈঠক করে খতিয়ে দেখার জন্য। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্থানীয় ভাষা না জানলে ব্লকে কাজ করা যাবে না। আগামী দিনে কর্মসৃষ্টিতে এটাই বেশি করে জোর দিতে হবে।’
উল্লেখ্য, রাজ্যে সরকারি চাকরিতে যোগ দিতে গেলে বাংলা ভাষা জানতে হবে, বললেন মুখ্যমন্ত্রী। চাকরি ক্ষেত্রে ভাষা নিয়ে সওয়াল মুখ্যমন্ত্রীর। বুধবার মালদা কলেজ অডিটোরিয়ামের দুর্গাকিঙ্কর সদনে প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। সেই বৈঠকে ‘কর্মসৃষ্টি’ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কর্মসৃষ্টি যখন হয়, আমি সব রাজ্যের জন্য বলছি। সেই রাজ্যের ছেলেমেয়েরা যেন চাকরিটা পায়। বাংলায় যারাই বসবাস করুক, বাংলা হতে পারে, রাজবংশি হতে পারে, কামতাপুরি হতে, আমার সেই ক্ষেত্রে আপত্তি নেই।
বাংলা ভাষা তাঁকে জানতে হবে। বাংলায় তার ঠিকানা হতে হবে। সেরকমই বিহারের ক্ষেত্রে বিহারের লোকেদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। উত্তরপ্রদেশের ছেলেমেয়েরা উত্তরপ্রদেশে চাকরি পাবে। সব রাজ্যের ছেলেমেয়েরা যেন কর্মসৃষ্টিতে চাকরি পায়। চাকরির জন্য অনেক রাজ্যে সর্ভিস কমিশন আছে। তারা চাকরিটা পায় নম্বরের ভিত্তিতে। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে কথা আমি বলছি না, রাজ্য সার্ভিস কমিশনের কথা আমি বলছি। সর্ব ভারতীয় চাকরির নিয়মটা হচ্ছে, সব রাজ্যের ছেলেমেয়েদের নেওয়া।



















