
নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, ১১ মে, অবশেষে লকডাউনে সঠিক চিকিৎসার অভাবে দু’বছরের শিশুকন্যার শারীরিক যন্ত্রণার অবসান হল।উত্তর চব্বিশ পরগনার বামনগাছির বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সাহার দুবছরের কন্যা প্রিয়াংশী সাহার ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে পেটে টিউমার অপারেশন করাতে গিয়ে ক্যানসার ধরা পড়ে।বাবা পেশায় ভ্যান চালক, মেয়ের অপারেশন ও কেমোথেরাপি চলে মেডিক্যাল কলেজে।এরমধ্যে হঠাৎ করোনা ভাইরাস এসে যাওয়ায় দেশজুড়ে চলে লকডাউন।লকডাউনে পরিষেবা বন্ধ সাথে বহু হাসপাতাল বন্ধ হয়।
এর জেরে ছোট্ট কন্যার পরবর্তী কেমো নেওয়া অসম্ভব হয়ে পরে।ইতিমধ্যে ছোট্ট মেয়েটির শারীরিক যন্ত্রনা শুরু হয়ে যায়।চিকিৎসার জন্য এরপর আরজিকর সহ সরকারী হাসপাতাল ও বেসরকারী বারাসাত ক্যানসার রিসার্চ সেন্টারের চিকিৎসার জন্য গেলে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।এদিকে টিউমার অপারেশন হয়েছিল যেখানে, কলকাতার মেডিক্যাল কলেজ ‘কোভিড হাসপাতালে’ পরিণত হওয়ার ফলে সেখানেও যেতে পারেননি তারা।অবশেষে জেলা পুলিশের তৎপরতায় বারাসাত হাসপাতালে পাঠানো হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। যন্ত্রনা সহ্য করতে না পেরে মারা যায় দু’বছরের প্রিয়াংশী সাহা।ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়ে অসহায় মা-বাবা। তবে তারমধ্যেও বাবা বিশ্বজিতের অভিমানী উক্তি সকলের কাছে প্রশ্ন ছুড়ে দিল।করোনা চিকিৎসার সাথে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত মানুষের কিভাবে রোগমুক্তি ঘটবে? হয়তো পরিস্থিতির শিকার হল ছোট্ট কন্যা, কিন্তু তবু মনে করিয়ে দিল, ‘বিনা চিকিৎসা’ শব্দটি।



















