রাজ্য – আমেজ সীমাবদ্ধ থাকছে মূলত সকাল ও সন্ধ্যার মধ্যেই। বেলা বাড়তেই রোদের দাপটে আবারও উষ্ণতার অনুভূতি মিলছে। চলতি শীতের মরশুমে আর নতুন করে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ার সম্ভাবনা কার্যত নেই বলেই ইঙ্গিত দিচ্ছে আবহাওয়া দফতর।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী সাতদিনে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রার বড় কোনও পতন হবে না। অর্থাৎ আপাতত পারদের ওঠানামা খুব একটা চোখে পড়ার মতো নয়। তবে এই সময়ে কুয়াশার প্রভাব বজায় থাকবে বলেই পূর্বাভাস।
ভোরের দিকে হালকা শীতের শিরশিরানি থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ যথেষ্ট চড়া অনুভূত হবে। এই আবহাওয়ার ধরণে আপাতত বিশেষ পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
রবিবার ও সোমবার সকালের দিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় কুয়াশার দাপট থাকবে। এইসব এলাকায় দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে ২০০ মিটারের কাছাকাছি, ফলে সকালের দিকে যান চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের চার জেলা দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং কোচবিহারে ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। কুয়াশার কারণে এই জেলাগুলিতে দৃশ্যমানতা আরও কমতে পারে।
এদিন রবিবার শহর কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। সামগ্রিকভাবে শীত বিদায়ের পথে, তবে কুয়াশা ও হালকা ঠান্ডার অনুভূতি এখনও কিছুদিন বজায় থাকবে বলেই মত আবহাওয়াবিদদের।




















