
নিজস্ব সংবাদদাতা,বীরভূম,৩০শে আগস্ট: বছর ১৭ রুহি পারভীন মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী। বাড়ি সিউড়ি থানার কুকুটিয়া গ্রামে। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের রুহির চিকিৎসার জন্য বাবা এনামুল হক মিদ্দা চেষ্টার কসুর করেননি। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পাশাপাশি মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে স্ত্রীকে সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন অঝা গুণিনের কাছেও কিন্তু আশা হারাননি। সরকারি পরিষেবাতে তাই নিয়ম করে সিউড়ি সদর হাসপাতালে মেয়েকে নিয়ে এসেছেন ডাক্তার জিষ্ণু ভট্টাচার্যের কাছে, এবং চিকিৎসা চলছিল। পাশাপাশি মেয়ের মা যোগাযোগ রেখে ঝারফুকে বিশ্বাস করেছিলেন।
গত মাসের ২৬ শে জুলাই সিউড়ি সদর হাসপাতালে ডাক্তারের কাছে দেখাতে এসে খুলে বলেছিলেন সবকিছু ঝাড়ফুঁক টুকটাক অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা। তখন ডাক্তারবাবু অন্য রোগীদের সামনে অপদস্ত করেছিল বলে অভিযোগ রুহি এবং রহিমাকে। শুধু তাই নয় হাসপাতালে প্রেসক্রিপশনে যে ওষুধ লিখে তা কেটে দেওয়া হয় শুধু এতেও ক্ষান্ত থাকেননি ডাক্তার, সরকারি প্রেসক্রিপশনে এই রোগীর মায়ের কথা লিপিবদ্ধ করে ওই প্রেসক্রিপশনে অপচিকিৎসা করানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছেন সরকারি হাসপাতালে সরকারি চিকিৎসক।
চিকিৎসা না করে কিভাবে অপচিকিৎসায় ভরসা রাখতে লিখিত নির্দেশ দিলেন ডাক্তার ? সেই নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। একমাস পরপর হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর জন্য ডেট দেওয়া হয় সেইমতো ৩০ শে আগস্ট অভিযুক্ত চিকিৎসক ডাক্তার জিষ্ণু ভট্টাচার্যকে দেখানোর কথা রুহির পরিবারের কিন্তু গত মাসের কথা এবং ডাক্তারের কাছে চূড়ান্ত অপমানের কথা ভেবে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হারিয়েছেন তারা। বিষয়টি জানাজানি হতেই ক্ষোভ বাড়ছে মেয়েকে সঙ্গে করে ডাক্তার-খানা যেতে না চাওয়ায় পুরো বিষয়টি শুনে স্বামী এনামুল হক মিদ্দা লিখিতভাবে পুরো বিষয়টি জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কে জানান। পুরো বিষয়টি অনৈতিক বুঝতে পেরে যাতে আজকে তারা সঠিক চিকিৎসা পেতে পারেন তার ব্যবস্থা করতে চাইছেন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর।
কিন্তু পূর্ব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে রোগীকে সঙ্গে করে আনতে নারাজ রোগীর পরিবার। একজন সরকারি চিকিৎসক কিভাবে অপচিকিৎসা করানোর জন্য লিখিত নির্দেশ দিলেন সেই নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে সেই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।



















