নিজস্ব সংবাদদাতা, বীরভূম, ৩ ডিসেম্বর, নভেম্বরের ২২ তারিখে নিখোঁজ কয়লা ব্যবসায়ীর দেহ উদ্ধার ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশের যৌথ অভিযানে বীরভূমের দুবরাজপুর থানা এলাকার সাল নদীর জলের ভেতর থেকে উদ্ধার হল জামুরিয়া থেকে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া মুর্শিদাবাদের কয়লা ব্যাবসায়ী সফিকুল ইসলামের দেহ। সফিকুল মুর্শিদাবাদ জেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। বিভিন্ন ইট ভাঁটায় কয়লা সরবরাহ করার ব্যবসা ছিল তার। ২২ নভেম্বর বাড়ি থেকে ১২ লাখ টাকা নিয়ে জামুড়িয়া আসে কয়লা কিনতে। রাতে আশ্রয় নেয় আকলপুর গ্রামের কাল্টু খানের বাড়িতে। এরপর থেকে তার আর কোনও খোঁজ মেলেনি। ২৩ তারিখ সফিকুলের স্ত্রী সামিনা ইয়াসমিন মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থানায় নিখোঁজ ডাইরি করে । ২৬ তারিখে সামিনা কাল্টু ও তার স্ত্রী সহ তিনজনের নামে অপহরণের অভিযোগ এনে দ্বারস্থ হয় মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ সুপারের। অভিযোগ জানানো হয় জামুড়িয়া থানাতেও।
তাঁর অভিযোগে সোমবার সকালে কাল্টু ও তার স্ত্রীকে আটক করে টানা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে জামুরিয়া পুলিশ। টানা জেরার মুখে শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে তারা খুনের কথা স্বীকার করে। তাদের কাছ থেকেই পুলিশ জানতে পারে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলা কেটে ফেলা হয় সফিকুলের। এরপর দেহটি কাঁথা কম্বলে জড়িয়ে ভাঙা পিলারের সাথে বেঁধে ফেলে দেওয়া হয় সাল নদীর জলে। তাদের কথা মত পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে মৃতদেহের সন্ধান পায়। গ্রেফতার করা হয় কাল্টু ও তার স্ত্রী মদিনা বিবি কে। ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি সিউড়ি জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
টাকার লোভে ব্যবসায়ীকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার এক দম্পতি
টাকার লোভে ব্যবসায়ীকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার এক দম্পতি
Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



















