বিদেশ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বাণিজ্য নীতি নিয়ে প্রকাশ্য মন্তব্য করেছেন। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “আমেরিকা ও ভারতের সম্পর্ক এখন ভাল হলেও বহু বছর আগে সেটা একপেশে ছিল। কারণ ভারত আমেরিকান পণ্যের ওপর বিরাট অঙ্কের শুল্ক চাপাত।”ট্রাম্পের অভিযোগ, ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে গিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়ার পর ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করে। এর ফলে শাস্তি বাবদ ভারতকে চড়া শুল্ক চাপানো হয়, যা গত মাস থেকে কার্যকর হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে চাপানউতর তৈরি হয়েছে। ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এখন খুব ভাল। কিন্তু আগে সেটা একপেশে ছিল। আমি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এটি বদলেছে।” তাঁর মতে, অতীতে ভারত আমেরিকান পণ্যের উপর শুল্ক ধার্য করত, ফলে আমেরিকা ভারতের সঙ্গে তেমন ব্যবসা করতে পারত না।ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেছেন, “ভারত আমাদের বাজারে নিজেদের পণ্য বিক্রি করত সহজে, কিন্তু আমেরিকার পণ্য ভারতে ঢুকতে পারত না। কারণ শুল্ক এত বেশি ছিল যে ব্যবসা করা সম্ভব হত না। আমরা তখন শুল্ক নিতাম না, যা খুবই বোকামি ছিল।”
উদাহরণ হিসেবে ট্রাম্প হার্লে-ডেভিডসন মোটরবাইক কোম্পানির কথা টানেন। তিনি বলেন, “ভারতে একেকটি বাইকের উপর ২০০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হতো। তাই হার্লে-ডেভিডসন ভারতে গিয়ে কারখানা বানাল এবং সেখানে মোটরবাইক তৈরি করছে। ফলে আর শুল্ক দিতে হচ্ছে না। আমেরিকাকেও একই কাজ করতে হয়েছে।”ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শুল্ক নীতি একপেশে হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ভারসাম্যহীন ছিল। একদিকে ভারত আমেরিকার বাজারে সহজে পণ্য বিক্রি করত, অন্যদিকে আমেরিকার পণ্য ভারতে ঢুকতে পারত না।তিনি আরও বলেন, “আমরা তখন শুল্ক নিতাম না এবং ভারতের সঙ্গে ব্যবসায় সমতা থাকত না। এই অবস্থার পরিবর্তন করেছি। এখন ব্যবসা করতে সুবিধা হয়েছে।”
ভারতের শুল্ক হ্রাসের বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ট্রাম্পের বক্তব্যে জানা যায়নি। তবে স্পষ্ট হয়েছে, তাঁর মূল আপত্তি ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য সম্পর্কের ভারসাম্যহীনতার ওপর।ট্রাম্পের মন্তব্যের মাধ্যমে পরিস্কার হয়েছে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুধার হলেও বাণিজ্য নীতি ও শুল্কের বিষয়টি তাঁর কাছে এখনও গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের।এবারের ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের আলোচনায় ট্রাম্প বিশেষভাবে ভারতীয় শুল্ক নীতি ও আমেরিকার বাজারে প্রবেশাধিকারের অসমতা তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, এই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্পের মন্তব্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শুল্ক নীতি সংক্রান্ত আলোচনায় নতুন সূচনা হয়েছে। দুই দেশের ব্যবসায়িক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
ট্রাম্প ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ও শুল্ক নীতি নিয়ে সরব, সম্পর্কের অতীত নিয়ে মন্তব্য
ট্রাম্প ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ও শুল্ক নীতি নিয়ে সরব, সম্পর্কের অতীত নিয়ে মন্তব্য
রাত জেগে ঠাকুর দেখেও বাড়ি ফিরতে চিন্তা নেই, ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত বাড়তি ট্রেন ও নাইট লোকাল চালাবে পূর্ব রেল
গঙ্গার নীচে ট্রাক চলাচলের টানেল তৈরিতে আগ্রহী আদানি গোষ্ঠী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকে প্রকল্প নিয়ে আলোচনা
ঋতব্রত-সহ ১০ বিধায়কের পদ খারিজের আবেদন খারিজ স্পিকারের, নথির ভেরিফিকেশনে ত্রুটির যুক্তি
জিএসটি আইনে বড় বদল, কর আধিকারিকদের গ্রেফতারির ক্ষমতা প্রত্যাহার; ফৌজদারি মামলার সীমা বাড়ল ১ কোটি থেকে ৫ কোটি
মহালয়ার আগে ফের বৃষ্টির ভ্রুকুটি, দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় হলুদ সতর্কতা; উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের আশঙ্কা
কৃষক না হয়েও সমবায় থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ? স্নেহাশিসকে ঘিরে তদন্তের দাবি সুকান্তর
বিদেশ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বাণিজ্য নীতি নিয়ে প্রকাশ্য মন্তব্য করেছেন। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “আমেরিকা ও ভারতের সম্পর্ক এখন ভাল হলেও বহু বছর আগে সেটা একপেশে ছিল। কারণ ভারত আমেরিকান পণ্যের ওপর বিরাট অঙ্কের শুল্ক চাপাত।”ট্রাম্পের অভিযোগ, ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে গিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়ার পর ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করে। এর ফলে শাস্তি বাবদ ভারতকে চড়া শুল্ক চাপানো হয়, যা গত মাস থেকে কার্যকর হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে চাপানউতর তৈরি হয়েছে। ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এখন খুব ভাল। কিন্তু আগে সেটা একপেশে ছিল। আমি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এটি বদলেছে।” তাঁর মতে, অতীতে ভারত আমেরিকান পণ্যের উপর শুল্ক ধার্য করত, ফলে আমেরিকা ভারতের সঙ্গে তেমন ব্যবসা করতে পারত না।ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেছেন, “ভারত আমাদের বাজারে নিজেদের পণ্য বিক্রি করত সহজে, কিন্তু আমেরিকার পণ্য ভারতে ঢুকতে পারত না। কারণ শুল্ক এত বেশি ছিল যে ব্যবসা করা সম্ভব হত না। আমরা তখন শুল্ক নিতাম না, যা খুবই বোকামি ছিল।”
উদাহরণ হিসেবে ট্রাম্প হার্লে-ডেভিডসন মোটরবাইক কোম্পানির কথা টানেন। তিনি বলেন, “ভারতে একেকটি বাইকের উপর ২০০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হতো। তাই হার্লে-ডেভিডসন ভারতে গিয়ে কারখানা বানাল এবং সেখানে মোটরবাইক তৈরি করছে। ফলে আর শুল্ক দিতে হচ্ছে না। আমেরিকাকেও একই কাজ করতে হয়েছে।”ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শুল্ক নীতি একপেশে হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ভারসাম্যহীন ছিল। একদিকে ভারত আমেরিকার বাজারে সহজে পণ্য বিক্রি করত, অন্যদিকে আমেরিকার পণ্য ভারতে ঢুকতে পারত না।তিনি আরও বলেন, “আমরা তখন শুল্ক নিতাম না এবং ভারতের সঙ্গে ব্যবসায় সমতা থাকত না। এই অবস্থার পরিবর্তন করেছি। এখন ব্যবসা করতে সুবিধা হয়েছে।”
ভারতের শুল্ক হ্রাসের বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ট্রাম্পের বক্তব্যে জানা যায়নি। তবে স্পষ্ট হয়েছে, তাঁর মূল আপত্তি ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য সম্পর্কের ভারসাম্যহীনতার ওপর।ট্রাম্পের মন্তব্যের মাধ্যমে পরিস্কার হয়েছে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুধার হলেও বাণিজ্য নীতি ও শুল্কের বিষয়টি তাঁর কাছে এখনও গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের।এবারের ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের আলোচনায় ট্রাম্প বিশেষভাবে ভারতীয় শুল্ক নীতি ও আমেরিকার বাজারে প্রবেশাধিকারের অসমতা তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, এই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্পের মন্তব্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শুল্ক নীতি সংক্রান্ত আলোচনায় নতুন সূচনা হয়েছে। দুই দেশের ব্যবসায়িক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
Share this:
রাত জেগে ঠাকুর দেখেও বাড়ি ফিরতে চিন্তা নেই, ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত বাড়তি ট্রেন ও নাইট লোকাল চালাবে পূর্ব রেল
গঙ্গার নীচে ট্রাক চলাচলের টানেল তৈরিতে আগ্রহী আদানি গোষ্ঠী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকে প্রকল্প নিয়ে আলোচনা
ঋতব্রত-সহ ১০ বিধায়কের পদ খারিজের আবেদন খারিজ স্পিকারের, নথির ভেরিফিকেশনে ত্রুটির যুক্তি
জিএসটি আইনে বড় বদল, কর আধিকারিকদের গ্রেফতারির ক্ষমতা প্রত্যাহার; ফৌজদারি মামলার সীমা বাড়ল ১ কোটি থেকে ৫ কোটি
মহালয়ার আগে ফের বৃষ্টির ভ্রুকুটি, দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় হলুদ সতর্কতা; উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের আশঙ্কা
কৃষক না হয়েও সমবায় থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ? স্নেহাশিসকে ঘিরে তদন্তের দাবি সুকান্তর
বায়ুসেনা দিবসে বীর যোদ্ধাদের কুর্নিশ প্রধানমন্ত্রীর, দেশরক্ষায় তাঁদের ত্যাগ ও নিষ্ঠার প্রশংসা
পরিবেশবান্ধব দুর্গাপুজোয় ১ লক্ষ টাকার পুরস্কার, চালু হচ্ছে ‘গ্রিন দুর্গাপুজো এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড’
সম্পত্তি করের বকেয়া মেটাতে বড় ছাড় কলকাতা পুরসভার, মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত চলবে ওয়েভার স্কিম
ডুরান্ডের হারের বদলা শিল্ডে! ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান
ক্যানসারের ওষুধের দাম কমতে পারে ৭০% পর্যন্ত, বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ের আশা
এসএসসির নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা, চূড়ান্ত প্যানেল ও ওয়েটিং লিস্ট বাতিল ঘিরে বাড়ল জটিলতা
রাত জেগে ঠাকুর দেখেও বাড়ি ফিরতে চিন্তা নেই, ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত বাড়তি ট্রেন ও নাইট লোকাল চালাবে পূর্ব রেল
গঙ্গার নীচে ট্রাক চলাচলের টানেল তৈরিতে আগ্রহী আদানি গোষ্ঠী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকে প্রকল্প নিয়ে আলোচনা
ঋতব্রত-সহ ১০ বিধায়কের পদ খারিজের আবেদন খারিজ স্পিকারের, নথির ভেরিফিকেশনে ত্রুটির যুক্তি
জিএসটি আইনে বড় বদল, কর আধিকারিকদের গ্রেফতারির ক্ষমতা প্রত্যাহার; ফৌজদারি মামলার সীমা বাড়ল ১ কোটি থেকে ৫ কোটি
মহালয়ার আগে ফের বৃষ্টির ভ্রুকুটি, দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় হলুদ সতর্কতা; উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের আশঙ্কা
কৃষক না হয়েও সমবায় থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ? স্নেহাশিসকে ঘিরে তদন্তের দাবি সুকান্তর
বায়ুসেনা দিবসে বীর যোদ্ধাদের কুর্নিশ প্রধানমন্ত্রীর, দেশরক্ষায় তাঁদের ত্যাগ ও নিষ্ঠার প্রশংসা
পরিবেশবান্ধব দুর্গাপুজোয় ১ লক্ষ টাকার পুরস্কার, চালু হচ্ছে ‘গ্রিন দুর্গাপুজো এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড’
সম্পত্তি করের বকেয়া মেটাতে বড় ছাড় কলকাতা পুরসভার, মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত চলবে ওয়েভার স্কিম
ডুরান্ডের হারের বদলা শিল্ডে! ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান
ক্যানসারের ওষুধের দাম কমতে পারে ৭০% পর্যন্ত, বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ের আশা
এসএসসির নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা, চূড়ান্ত প্যানেল ও ওয়েটিং লিস্ট বাতিল ঘিরে বাড়ল জটিলতা
RECOMMENDED FOR YOU.....
রাত জেগে ঠাকুর দেখেও বাড়ি ফিরতে চিন্তা নেই, ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত বাড়তি ট্রেন ও নাইট লোকাল চালাবে পূর্ব রেল
গঙ্গার নীচে ট্রাক চলাচলের টানেল তৈরিতে আগ্রহী আদানি গোষ্ঠী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকে প্রকল্প নিয়ে আলোচনা
ঋতব্রত-সহ ১০ বিধায়কের পদ খারিজের আবেদন খারিজ স্পিকারের, নথির ভেরিফিকেশনে ত্রুটির যুক্তি
জিএসটি আইনে বড় বদল, কর আধিকারিকদের গ্রেফতারির ক্ষমতা প্রত্যাহার; ফৌজদারি মামলার সীমা বাড়ল ১ কোটি থেকে ৫ কোটি
মহালয়ার আগে ফের বৃষ্টির ভ্রুকুটি, দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় হলুদ সতর্কতা; উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের আশঙ্কা
কৃষক না হয়েও সমবায় থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ? স্নেহাশিসকে ঘিরে তদন্তের দাবি সুকান্তর
বায়ুসেনা দিবসে বীর যোদ্ধাদের কুর্নিশ প্রধানমন্ত্রীর, দেশরক্ষায় তাঁদের ত্যাগ ও নিষ্ঠার প্রশংসা
পরিবেশবান্ধব দুর্গাপুজোয় ১ লক্ষ টাকার পুরস্কার, চালু হচ্ছে ‘গ্রিন দুর্গাপুজো এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড’
সম্পত্তি করের বকেয়া মেটাতে বড় ছাড় কলকাতা পুরসভার, মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত চলবে ওয়েভার স্কিম
ডুরান্ডের হারের বদলা শিল্ডে! ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান
ক্যানসারের ওষুধের দাম কমতে পারে ৭০% পর্যন্ত, বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ের আশা
এসএসসির নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা, চূড়ান্ত প্যানেল ও ওয়েটিং লিস্ট বাতিল ঘিরে বাড়ল জটিলতা
দুর্গাপুজোয় বড় সুখবর! সপ্তমী থেকে ভোররাত পর্যন্ত ছুটবে মেট্রো, জেনে নিন পাঁচটি লাইনের সময়সূচি
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে ভোটগণনা শুরু, প্রাথমিক প্রবণতায় এগিয়ে বিজেপি; নজর হাসিরানি ও শাখারভের দিকে
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত অভিনেতা নানা পাটেকর, ৪৫ মিনিট CPR-এর পরও বাঁচানো গেল না
দলত্যাগের মামলায় ফের সময় চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা, ৮ অক্টোবরের ডেডলাইনও মিস ২০ সাংসদের
নানা পাটেকরের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর, ‘তাঁর অনন্য প্রভাব প্রজন্মের পর প্রজন্ম মনে রাখবে’
নানা পাটেকরের প্রয়াণে শোক মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর, ‘ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়’
পুরসভা পরিষেবা উন্নয়নে অগ্নিমিত্রার উদ্যোগ, ২৮টি পোর্টেবল বায়ো-টয়লেট ও নিকাশি সংস্কারের কাজ শুরু
নানা পাটেকরের প্রয়াণে শোক শমীক ভট্টাচার্যের, ‘ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁর অবদান চিরকাল স্মরণীয়’