বিদেশ – মার্কিন রাজনীতিতে ফের চমক সৃষ্টি করলেন Donald Trump। ১৬৫ বছরের ঐতিহ্য ভেঙে এবার মার্কিন মুদ্রা ডলারে তাঁর স্বাক্ষর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই এ সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশে সই করেছেন তিনি। ফলে তিনিই হচ্ছেন প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যার স্বাক্ষর ডলারে দেখা যাবে।
এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। Gavin Newsom এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করে সমাজমাধ্যমে কটাক্ষ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, গ্যাস, বাড়ি ভাড়া ও স্বাস্থ্যসেবার বাড়তি খরচের জন্য এখন আমেরিকার নাগরিকরা কাকে দায় দেবেন, তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
উল্লেখ্য, ১৮৬১ সাল থেকে মার্কিন ব্যাঙ্কনোটে শুধুমাত্র ট্রেজারার ও অর্থমন্ত্রীর স্বাক্ষর থাকার প্রথা চালু রয়েছে। অতীতে ডলারে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টদের ছবি ব্যবহার করা হলেও কোনও প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর কখনও রাখা হয়নি। সর্বশেষ যে ডলার ছাপা হয়েছিল, তাতে Joe Biden প্রশাসনের অর্থমন্ত্রী Janet Yellen এবং ট্রেজারার লিন মালেরবার স্বাক্ষর ছিল।
বর্তমান আইনে জীবিত প্রেসিডেন্টদের ছবি বা প্রতিকৃতি মুদ্রায় ব্যবহার করা নিষিদ্ধ হলেও, স্বাক্ষর সংক্রান্ত কোনও স্পষ্ট বিধিনিষেধ নেই। সেই আইনি ফাঁককেই কাজে লাগিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
শুধু কাগুজে নোটেই নয়, চলতি মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্মের আড়াইশ বছর পূর্তি উপলক্ষে ট্রাম্পের ছবি সম্বলিত ২৪ ক্যারেটের স্মারক স্বর্ণমুদ্রা তৈরিরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন নিয়েও বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি।
সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত মার্কিন রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এর প্রভাব কতটা গভীর হবে, তা এখন দেখার।



















