রাজ্য – দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance) মামলায় জয় পেয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। Supreme Court of India নির্দেশ দিয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের ১০০ শতাংশ বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে। এই রায়ের পরই ষষ্ঠ এবং সপ্তম বেতন কমিশনেও একই নীতি কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়ার ইঙ্গিত দিল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন Confederation of State Government Employees।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক Malay Mukhopadhyay জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে যে ডিএ সরকারি কর্মীদের বলবৎযোগ্য আইনি অধিকার। সর্বভারতীয় মূল্যসূচক (AICPI) অনুযায়ী রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ প্রদান করতে হবে। সেই বিষয়টি যাতে ষষ্ঠ ও সপ্তম বেতন কমিশনেও অন্তর্ভুক্ত হয়, সেজন্য আইনি ও সাংগঠনিকভাবে পদক্ষেপ করা হবে।
যদিও পঞ্চম বেতন কমিশনের মামলায় জয় এসেছে, তবুও ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে কর্মচারী মহলে। তাঁদের অভিযোগ, ওই কমিশনে ডিএ-কে কার্যত ‘দয়ার দান’ হিসেবে দেখানো হয়েছে। ষষ্ঠ পে কমিশনে ডিএ-কে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি বলেও দাবি তাঁদের। এমনকি কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার কথাও উল্লেখ নেই। বরং বলা হয়েছে, রাজ্য সরকার নিজেদের বিবেচনা অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা নির্ধারণ করতে পারবে।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট বাজেটে রাজ্য সরকার সপ্তম বেতন কমিশনের ঘোষণা করেছে। তবে নতুন পে কমিশনেও ডিএ-কে অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে একাংশ কর্মচারীর মধ্যে। তাঁদের আশঙ্কা, সপ্তম পে কমিশনেও মহার্ঘ ভাতাকে বাধ্যতামূলক অধিকার হিসেবে ধরা নাও হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে মলয় মুখোপাধ্যায় আশ্বাস দিয়েছেন, যেহেতু সুপ্রিম কোর্ট পঞ্চম পে কমিশনের আওতায় ডিএ-কে বলবৎযোগ্য আইনি অধিকার বলে স্বীকৃতি দিয়েছে, তাই একই নীতি যাতে ষষ্ঠ ও সপ্তম বেতন কমিশনেও কার্যকর হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।




















