রাজ্য – ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেও বাংলাজুড়ে শীতের আমেজ বজায় থাকবে। শহর কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আগামী কয়েক দিনে দিন ও রাতের তাপমাত্রায় খুব একটা বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। ভোরের দিকে ঘন কুয়াশা থাকবে এবং রাতের দিকে তাপমাত্রার পারদ নামবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস।
ডিসেম্বরের শুরু থেকেই রাজ্যে শীতের প্রভাব স্পষ্ট। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নেমেছে এবং তৃতীয় সপ্তাহেও সেই ধারা বজায় থাকবে বলে পূর্বাভাস। আগামী সাত দিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচেই থাকবে। বড়সড় কোনও তাপমাত্রা পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।
শনিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৫১ থেকে ৯৩ শতাংশের মধ্যে। ভোরের দিকে কুয়াশার দাপট থাকলেও দিনের বেলায় আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে।
উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা কমেছে। আগামী কয়েক দিন পশ্চিমের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে।
উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলিতে শীতের অনুভূতি আরও বেশি। দার্জিলিং জেলা ও সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার পূর্বাভাস। পার্বত্য এলাকা ও উপরের দিকের পাঁচ জেলায় তাপমাত্রা ৯ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
শুধু বাংলা নয়, দেশের অন্যান্য রাজ্যেও কুয়াশা ও শীতের দাপট বাড়ছে। উত্তরপ্রদেশে ঘন কুয়াশার চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজধানী দিল্লি-সহ পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও চণ্ডিগড়ে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা। হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডেও কুয়াশার দাপট থাকবে। উত্তর-পূর্ব ভারতের আসাম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম ও ত্রিপুরাতেও ঘন কুয়াশার পূর্বাভাস রয়েছে। দক্ষিণ কর্ণাটক ও তেলেঙ্গানায় শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, একই সঙ্গে ছত্তিশগড় ও ওড়িশাতেও শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব দেখা যাচ্ছে।




















