তন্ত্র সাধনার জন্য মেয়ে কিনতে এসে ধৃত তিন দুষ্কৃতী

তন্ত্র সাধনার জন্য মেয়ে কিনতে এসে ধৃত তিন দুষ্কৃতী

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নিজস্ব সংবাদদাতা,পশ্চিম বর্ধমান,২৮ শে আগস্ট : তন্ত্র সাধনার জন্য টাকা দিয়ে একটি গরিব ঘরের মেয়েকে কিনতে এসে জনরোষের শিকার তিন জন দুষ্কৃতী। যাদের মধ্যে একজন মহিলা সদস্য। দুর্গাপুরের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত অঙ্গদপুর গ্রামের ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয় কোক ওভেন থানার পুলিশ এসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর ধৃতরা নদীয়া জেলার বাসিন্দা।

দুর্গাপুর নগর নিগমের ১০০ দিনের সুপারভাইজারের কাজ দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে করতেন অঙ্গদপুর-এর এক যুবতী। সেখানের এক কর্মীর মাধ্যমে প্রায় এক মাস ধরে ওই যুবতীকে কেনার জন্য বারংবার আবেদন জানায় কয়েকজন বহিরাগত। প্রস্তাব দেয় মেয়েটিকে তাদের হাতে তুলে দিলে ছয় লক্ষ টাকা দেওয়া হবে তার পরিবারকে। সেই প্রস্তাবে মেয়েটির পরিবার রাজি না হওয়ায় আজ রাত নটা নাগাদ তিনজন দুষ্কৃতী হাজির হন মেয়েটির বাড়িতে। সে সময় ঘরের দরজা বন্ধ করে মেয়ের বাবা অমর বাউরি খবর দেয় স্থানীয় ক্লাবের ছেলেদের। এরপর স্থানীয় প্রতিবেশী এবং ক্লাবের ছেলেরা মিলে তিন দুষ্কৃতীকে মারধোর করে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মেয়েটি জানায় দীর্ঘদিন ধরে তাকে কেনার জন্য পরিবারের লোকজনের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছিল। মোটা অংকের টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। কোন এক তান্ত্রিকের তন্ত্র সাধনার জন্য মেয়েটিকে তাদের দরকার বলে জানানো হয় পরিবারকে। মেয়ের জ্যাঠতুতো দাদা রাকেশ বাউরী বলেন নরবলি দেওয়ার উদ্দেশ্যে টাকার বিনিময় কিনতে চেয়েছিল বোনকে। পুলিশকে পুরো বিষয়টি জানানো হয়েছে। এই দলটিতে মোট ১০ জন সদস্য আছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান সক্রিয় মেয়ে পাচারকারী দালাল চক্রের মাধ্যমে মেয়েটিকে কেনার জন্য বেশ কয়েকদিন ধরে এলাকায় আনাগোনা বাড়িয়ে ছিল বহিরাগত কয়েকজন পুরুষ ও মহিলা। এমন অবস্থায় এলাকার মেয়েদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে। পুরো ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় দুর্গাপুরের অঙ্গদপুর রাতুলিয়া শিল্প তালুকে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top