তাল-মাত্রা, বোধন,আরতি আর বিসর্জনের ছন্দে জোরকদমে চলছে তালিম

তাল-মাত্রা, বোধন,আরতি আর বিসর্জনের ছন্দে জোরকদমে চলছে তালিম

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নিজস্ব সংবাদদাতা,পূর্ব মেদিনীপুর,২৫ শে সেপ্টেম্বরঃ বোধন দিয়ে শুরু করে যারা, পুজোর চারটা দিন মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাক বাজিয়ে সবার মন ভরিয়ে দেন, তাঁদের পরিবারের মানুষরা দিন গোনেন বিসর্জনের।বিসর্জনের বাজনায় খুশি আসে ওদের মুখে ।
বাতাসে কাশফুলের দোলা আর শিউলির গন্ধ এলেই ঢাকে পড়ে কাঠি। কান পাতলে চারিদিকেই শোনা যায় ঢাকের শব্দ।মহামায়ার মর্ত্যে আসার সময় হলেই ঢাকি পাড়ায় শুরু হয়ে যায় ঢাক ‘ছাওয়া’র ব্যস্ততা। মণ্ডপে যাওয়ার আগে পুরোদমে চলে ‘বোল’ ঝালিয়ে নেওয়ার কাজ। তাই তমলুকের মুরারিকালুয়া গ্রামে ঢাকি পরিবারগুলিতে সারা বছরের জং ধরা ঢাকে এখন বেজে উঠেছে সুর। তাল-মাত্রা, বোধন, আরতি আর বিসর্জনের ছন্দে জোরকদমে চলছে তালিম।ঢাকিপাড়াতে গেলেই দেখা যাবে দুপুরের খাওয়াদাওয়ার পরে বাড়ির উঠোনে চলছে রেওয়াজ। বিশ্বকর্মা পুজো হল ঢাকিপাড়ার বোধন। তাই দুর্গাপুজোর আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছেন ঢাকিরা। মহালয়ার দিনই কলকাতা চলে যেতে হয় তাঁদের। কারণ, বেশ কিছু বাড়ির পুজো শুরু হয় প্রতিপদ থেকেই। কেউ আবার পঞ্চমী থেকে বেরিয়ে যায় ভিন রাজ্যে কিংবা ভিন দেশে যাওয়ার জন্য। পঞ্চমীর দিন থেকেই নিঝুম হয়ে যাবে ঢাকিদের গ্রামগুলি। জেগে থাকবে বাড়ির মেয়েরা ।বাড়ির দুর্গাদের কাঁদিয়ে শহরে যেতে মন চায় না ঢাকিপাড়ার পুরুষদের। কিন্তু পরিবারের মুখে এক চিলতে হাসি ফোটাতেই ছুটে যেতে হয় শহরের পুজো মণ্ডপগুলিতে। বাড়ির গৃহবধূ থেকে কচিকাঁচাদের চারটি দিন ধরে শুধু অপেক্ষা। বিসর্জনের বাজনা বাজলেই শুরু হবে তাদের পুজো। ঢাকিরা বাবুদের দেওয়া মুড়ি-মুড়কি নিয়ে ফিরে আসেন বাড়িতে। তার পরেই চলে নতুন পোশাক কেনা। ঠাকুর ডুবিয়ে আসা ভাঙা প্যান্ডেলেই চলে তাদের ঠাকুর দেখা।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top