বিনোদন – সদ্য তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন অভিনেত্রী পার্ণো মিত্র। রাজনীতির ময়দানে নতুন ইনিংস শুরু করলেও তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা একেবারে নতুন নয়। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে বরানগর কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি, যদিও জয় তাঁর অধরা থেকেই যায়। গেরুয়া শিবিরে থাকাকালীন পার্ণোকে সেভাবে সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি। তবে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আচমকাই তৃণমূলে যোগদান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পরই এবার আলোচনার কেন্দ্রে অভিনেত্রীর সোশ্যাল মিডিয়া। বরাবরই বোল্ড ইমেজের জন্য পরিচিত পার্ণো মিত্র। তাঁর ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুক পেজে চোখ রাখলেই দেখা যেত একাধিক গ্ল্যামারাস ও সাহসী ছবি। বিশেষ করে গত বছর শ্রীলঙ্কা সফরের সময় তাঁর বিকিনি পরা ছবিগুলি নেটদুনিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল। সেই ছবিগুলি ঘিরে প্রশংসার পাশাপাশি ট্রোল এবং কটাক্ষেরও শেষ ছিল না।
শ্রীলঙ্কার নীল জলরাশির ধারে কখনও হলুদ বিকিনিতে, কখনও আবার কালো বিকিনিতে সৈকতে সময় কাটাতে দেখা গিয়েছিল পার্ণোকে। কার্ভি ফিগারের সেই ছবিগুলি এক সময় নেটপাড়ার উষ্ণতা বাড়িয়েছিল। কিন্তু তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর আচমকাই লক্ষ্য করা যাচ্ছে, অভিনেত্রীর সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল থেকে সেই সব বিকিনি ছবি আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
এতেই শুরু হয়েছে জল্পনা। নতুন রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার পর ভবিষ্যতে কোনও বিতর্ক এড়াতেই কি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সেই ছবি সরিয়ে ফেলেছেন পার্ণো? নাকি এটি একান্তই তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত? যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত অভিনেত্রীর তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
তবে এটুকু স্পষ্ট, অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতির মঞ্চে পার্ণো মিত্রের এই নতুন অধ্যায় শুরু হতেই তাঁকে ঘিরে চর্চার পারদ চড়ছে। আগামী দিনে রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকা কী হবে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও অনুরাগীরা।




















