থ্রেট কালচার’ নিয়ে উত্তাল বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ!

থ্রেট কালচার’ নিয়ে উত্তাল বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ!

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



বাঁকুড়া – বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে ফের ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা। চেস্ট মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডাঃ অভিজিৎ মণ্ডলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা। অভিযোগ, দিনের পর দিন মানসিক চাপ, হুমকি এবং দায়িত্ব এড়িয়ে চলার ঘটনা চলছেই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই জুনিয়র চিকিৎসকেরা আন্দোলন শুরু করেছেন।

জুনিয়র চিকিৎসকদের অভিযোগ, ডাঃ মণ্ডল বিভাগের প্রধান হয়েও নিয়মিত ওয়ার্ডে রোগী দেখতে আসেন না। এতে রোগীদের চিকিৎসা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং জুনিয়র চিকিৎসকেরা সঠিক প্রশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এক জুনিয়র চিকিৎসকের দাবি, “এক মহিলা চিকিৎসক এতটাই মানসিকভাবে হেনস্তার শিকার হয়েছেন যে তাঁকে থেরাপি নিতে বাধ্য হতে হয়েছে।” তৃতীয় বর্ষের এক পিজিটি আরও জানান, “প্রিন্সিপালের কাছে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করেছি। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন তো সরাসরি ‘ক্যারিয়ার শেষ করে দেব’ বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।”

অভিযোগ আরও যে, গত ছ’মাস ধরে ডাঃ মণ্ডল ওয়ার্ডে রোগী দেখতে আসেননি। তাঁর গাফিলতিতে বিভিন্ন দুর্ঘটনা ঘটছে এবং তার দায়ভার পড়ছে জুনিয়র চিকিৎসকদের উপর। ইতিমধ্যেই জুনিয়র চিকিৎসকেরা স্বাস্থ্য দফতর ও মেডিক্যাল এডুকেশন ডিরেক্টরেটের (DME) কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তাঁদের খোলা চিঠি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসেছে।

হাসপাতালের সুপার চিকিৎসক অর্পণ কুমার গোস্বামীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। যদিও জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, অভিযুক্ত চিকিৎসক পদে থেকেই তদন্তে প্রভাব ফেলতে পারেন। তাই তাঁকে অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে সরানোর দাবি তুলেছেন তাঁরা। হাসপাতালের প্রিন্সিপাল চিকিৎসক পঞ্চানন কুন্ডু বলেন, “তদন্ত চলছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দ্রুত স্বাস্থ্য দফতরে পাঠানো হবে।”

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top