রাজ্য – রবিবার থেকে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে নামতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। এক ধাক্কায় কলকাতার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৭.২ ডিগ্রি কম। সঙ্গে বইছে উত্তুরে হাওয়া। ঝোড়ো ব্যাটিং শুরু করেছে শীত। বছর শেষ হতে আর মাত্র এক দিন বাকি, তার মধ্যেই জাঁকিয়ে শীতের কামড় অনুভব করছেন শহরবাসী।
বছর শেষ এবং নতুন বছরের শুরুতে ঠান্ডা আরও বাড়বে কি না, তা নিয়ে কৌতূহল রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এই প্রসঙ্গে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকবে। তবে ৩১ ডিসেম্বর থেকে কিছুটা পারদ চড়তে পারে। নতুন বছরের শুরু থেকেই সক্রিয় হবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা, যার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে ফের উর্ধ্বমুখী হবে তাপমাত্রা। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।
হাওয়া অফিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আগামী দু’দিন দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় একই থাকবে। নতুন বছরে দিনের তাপমাত্রা ২–৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাফেরা করবে।
পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে দেশের কিছু অংশে ইতিমধ্যেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে দক্ষিণবঙ্গেও। কলকাতা সহ একাধিক জেলায় আকাশ মেঘলা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঠান্ডা ও শৈত্য প্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমের জেলাগুলিতে শীতের দাপট বেশি। পুরুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
এছাড়াও আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী কয়েকদিন সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা ৯৯৯ মিটার থেকে কমে ২০০ মিটার পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। ফলে ভোরের দিকে রাস্তায় বেরোনোর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে, বছর শেষের মুখে শীতের দাপট থাকলেও নতুন বছরে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের।




















