রাজ্য – ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়েও দক্ষিণবঙ্গে হালকা শীতের আমেজ টিকে রয়েছে। সকালবেলায় শিরশিরে ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের দিকে বাড়ছে উষ্ণতা। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিন রাতের তাপমাত্রায় বড়সড় পরিবর্তন হবে না। তবে তারপর থেকেই বদলাতে শুরু করবে আবহাওয়ার চরিত্র। বিশেষ করে ২০ ফেব্রুয়ারির পর থেকে তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী হবে বলে জানানো হয়েছে।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবেই তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছে। আগামী সপ্তাহে কলকাতা-র দিনের তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। বর্তমানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখনও স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। তবে ২০ ফেব্রুয়ারির পর দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।
শুক্রবারের পর কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতে দিনের তাপমাত্রা ২৯ থেকে ৩২ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাস। রাতের তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। খুব শীঘ্রই দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে এবং শীতের শেষ স্পর্শও মিলিয়ে যাবে। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই সকালবেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে।
উত্তরবঙ্গেও একই চিত্র ধরা পড়ছে। শনিবার থেকে তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন—দুই তাপমাত্রাই কিছুটা বৃদ্ধি পাবে, ফলে শীতের তীব্রতা কমবে। আপাতত দার্জিলিং-এর পার্বত্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। বাকি জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৫ ডিগ্রির ঘরে থাকতে পারে।
উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুর জেলায় কুয়াশার দাপট বেশি হতে পারে। ফলে ভোর ও সকালবেলায় যান চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।




















