
নিজস্ব সংবাদদাতা,পূর্ব মেদিনীপুর ,১৪ ই সেপ্টেম্বর :সম্প্রতি কয়েকদিন আগে জেলা সফরে এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে ছিলেন দিঘার সৈকতে যত্রতত্র দোকান করে ব্যবসা করা যাবে না। তাই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ মাইকিং করে নোটিশ জারি করা হয়।
পর্যটকদের নিরাপত্তার কারণে দিঘা সৈকতে ঘোড়া সওয়ারিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল প্রশাসন।শুক্রবার থেকে এ বিষয়ে শুরু হয়েছে প্রচারও।শুধু ঘোড়া সওয়ারি নয়,সৈকতের রাস্তায় ছোটদের বিনোদনের জন্য রিমোট গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রেও বিধি নিষেধ আরোপ করেছে প্রশাসন।আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে।ঘোড়া সওয়ার বন্ধে পুলিশকে নজরদারির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে।সৈকতে ঘোড় সওয়ারি ফলে দূষণ এবং নোংরা হত সৈকত।

অনেক সময় ভিড়ের মধ্যে ঘোড়ার ধাক্কায় দুর্ঘটনাও ঘটে।এতে প্রাণহানিরও আশঙ্কা থাকে।সন্ধের সৈকতে দাপাদাপি চলে রিমোট গাড়িরও।তাতেও বিঘ্নিত হচ্ছিল সৈকতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তাই নিরাপত্তার কারণেই দিঘার সমুদ্র লাগোয়া সৈকত সরণী রাস্তা এবং স্নানঘাটগুলোতে ঘোড়া সওয়ারি এবং রিমোট গাড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পার্থ ঘোষ।বছর পাঁচেক আগেও জেলা প্রশাসনের তরফে দিঘার সৈকতে ঘোড় সওয়ারিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।সে সময় শুধু ঘোড় সওয়ারি ছাড়া, রাবারের টিউব নিয়ে সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল প্রশাসন।টিউব নিয়ে সমুদ্রস্নান অবশ্য এখন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে দিঘায়।কিন্তু নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করেই অবাধে ঘোড়া সওয়ারি চলছিল।যা এবার বন্ধ করতে উদ্যোগী হল জেলা প্রশাসন।দিঘায় ১৭থেকে ২০টি পরিবার এই কারবারের সঙ্গে যুক্ত।পুজোর আগে আচমকা এমন নির্দেশের পর তাঁদের প্রশ্ন, ঘোড়া সওয়ারি বন্ধ হলে খাব কী? বিষয়টি তাঁরা প্রশাসনের কাছে বিবেচনার আবেদন জানিয়েছেন।



















