দিল্লি – দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী Arvind Kejriwal সোমবার Delhi High Court-এ এক বিরল নজির গড়তে চলেছেন। বিচারপতি Swarnakanta Sharma-র এজলাসে হাজির হয়ে তিনি সরাসরি আবেদন জানাবেন, সংশ্লিষ্ট মামলার শুনানি থেকে বিচারপতি যেন সরে দাঁড়ান। তাঁর দাবি, এই আদালতে তিনি ন্যায়বিচার পাবেন বলে আস্থা রাখতে পারছেন না। বিচার মহলে এই ধরনের আবেদনকে ‘রেক্যূসাল প্লি’ বলা হয়।
এর আগে বিচারপতি শর্মার অপসারণ চেয়ে কেজরিওয়াল প্রধান বিচারপতি D K Upadhyaya-র দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু প্রধান বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। তাঁর মতে, হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার অফিসে এভাবে কোনও বিচারপতির অপসারণের আবেদন জানানো যায় না।
Aam Aadmi Party-র বক্তব্য, এই পরিস্থিতিতে ‘রেক্যূসাল প্লি’ই তাঁদের একমাত্র পথ। তবে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। Bharatiya Janata Party-র পক্ষ থেকে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। দিল্লি বিজেপির মুখপাত্র প্রবীণ শংকর কাপুর দাবি করেছেন, বিচারব্যবস্থার উপর আস্থা না থাকাতেই এই পদক্ষেপ নিচ্ছে আপ।
এই মামলার প্রেক্ষাপটে রয়েছে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের বিচারক Jitendra Singh-এর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ রায়। ৬০১ পাতার সেই রায়ে Arvind Kejriwal, Manish Sisodia সহ মোট ২২ জনকে জামিন দেওয়া হয়। রায়ে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মদ কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থাকার পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই। একইসঙ্গে তদন্তকারী আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়।
এই রায়ের বিরুদ্ধেই উচ্চ আদালতে আবেদন করে Central Bureau of Investigation। আপের অভিযোগ, বিচারপতি স্বর্ণকান্ত শর্মা কেজরিওয়াল-সহ অভিযুক্তদের বক্তব্য না শুনেই একতরফাভাবে হলফনামা পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
এই মামলার শুনানি সোমবার দিল্লি হাইকোর্টে হওয়ার কথা। সেখানেই স্বয়ং Arvind Kejriwal আদালতে উপস্থিত হয়ে বিচারপতির প্রতি অনাস্থা জানিয়ে তাঁর সরে দাঁড়ানোর আবেদন করবেন। বিচার মহলের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে এই ধরনের ঘটনা প্রায় নজিরবিহীন। যদিও বিচারপতি বদল হবে কি না, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতিই।



















