দুর্গাপ্রতিমা নিরঞ্জনকে ঘিরে ঐতিহাসিক ‘লাঠির মেলা’ দুবরাজপুরে। দুর্গাপ্রতিমা নিরঞ্জনকে ঘিরে বিভিন্ন স্থানে বসে মেলা। তবে, বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের কৃষ্ণনগর গ্রামের মেলার ঐতিহ্য একেবারে ভিন্ন। এখানকার মেলা এক ব্যতিক্রমী ‘লাঠির মেলা’ হিসেবে এলাকায় চিহ্নিত। লাঠির মেলা কেন? সে বিষয়ে স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়, কিছু ঐতিহাসিক গল্প।
পরাধীন ভারতে তৎকালীন বর্গীদের আক্রমণের হাত থেকে নিজেদের রক্ষার্থে মূল অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হত লাঠি। সেই লাঠির গুণগত মান এবং বিভিন্ন ধরণের লাঠি কেনার চলন সেই তখন থেকেই বলে লোকমুখে শোনা যায়। সেই সময়ের লাঠির হাট কালের ফেরে আজ মেলায় পরিণত হয়েছে। এই মেলায় তেলে ভাজা, খেলনা সহ অন্যান্য আনুসাঙ্গিক দোকান বাজার থাকলেও বিশেষ করে লাঠির সম্ভার নিয়ে দোকান থাকবেই। মেলার পার্শ্ববর্তী গ্রাম পছিয়াড়া, যশপুর, লোহাগ্রাম, কান্তোর, সালুঞ্চি সহ প্রায় ১০-১২টি গ্রামের প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য এই মেলাপ্রাঙ্গণে আনা হয়।
জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই মেলায় মিলিত হয় সব সম্প্রদায়ের মানুষজন। এ এক ধর্মীয় সম্প্রীতি ও গ্রামীণ সংস্কৃতির মেলবন্ধন। আনুমানিক প্রায় ৩০০ বছরের পুরাতন এই মেলা। সাহিত্যরত্ন হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ‘বীরভূম বিবরণ’ গ্রন্থে কৃষ্ণনগরে বর্গী হাঙ্গামার কথা উল্লেখ রয়েছে। সরু মোটা, ছোটো লম্বা, রং বেরঙের বিভিন্ন ধরনের সাইজ অনুযায়ী লাঠি বেচাকেনা হয় এই মেলায়।
উল্লেখ্য, দুর্গাপ্রতিমা নিরঞ্জনকে ঘিরে বিভিন্ন স্থানে বসে মেলা। তবে, বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের কৃষ্ণনগর গ্রামের মেলার ঐতিহ্য একেবারে ভিন্ন। এখানকার মেলা এক ব্যতিক্রমী ‘লাঠির মেলা’ হিসেবে এলাকায় চিহ্নিত। লাঠির মেলা কেন? সে বিষয়ে স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়, কিছু ঐতিহাসিক গল্প। পরাধীন ভারতে তৎকালীন বর্গীদের আক্রমণের হাত থেকে নিজেদের রক্ষার্থে মূল অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হত লাঠি। সেই লাঠির গুণগত মান এবং বিভিন্ন ধরণের লাঠি কেনার চলন সেই তখন থেকেই বলে লোকমুখে শোনা যায়। সেই সময়ের লাঠির হাট কালের ফেরে আজ মেলায় পরিণত হয়েছে।



















