কোচবিহার – দেশলাই কাঠি চাওয়াকে কেন্দ্র করে বচসা, আর সেই তর্কাতর্কির জেরেই কিশোরের পেটে ছুরি চালানোর অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় চিকিৎসাধীন গৌরাঙ্গ দে সরকার। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার শহরের নিউ কদমতলা এলাকায়। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কোচবিহার কোতোয়ালি থানা-র পুলিশ। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, শুধুই দেশলাই কাঠিকে কেন্দ্র করে নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত গৌরাঙ্গ দে সরকার ওই এলাকারই বাসিন্দা। তাঁর প্রতিবেশী চিরঞ্জিত অধিকারী ওরফে রাজা। অভিযোগ, মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত রাজা গৌরাঙ্গর বাবার কাছে ধূমপানের জন্য দেশলাই কাঠি চায়। কিন্তু কম বয়সে ধূমপানের প্রসঙ্গ তুলে দেশলাই দিতে অস্বীকার করেন গৌরাঙ্গর বাবা। তা নিয়েই দু’জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, চিরঞ্জিত ওই ব্যক্তিকে মারধরও করে।
এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে গৌরাঙ্গ। কেন তাঁর বাবাকে মারধর করা হয়েছে তা নিয়ে চিরঞ্জিতের সঙ্গে তুমুল তর্কে জড়িয়ে পড়ে সে। অভিযোগ, বচসার মধ্যেই রাগের মাথায় হঠাৎ করে গৌরাঙ্গর পেটে ছুরি চালায় অভিযুক্ত। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে কিশোর। ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় গৌরাঙ্গকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবার ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, চিরঞ্জিত অধিকারী নিয়মিত নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘোরাফেরা করত এবং আগেও তার বিরুদ্ধে আপত্তি তোলা হয়েছিল। মঙ্গলবার রাতের ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।



















