নবান্নে নয়, মন্দিরতলায় ধরনার অনুমতি শুভেন্দুকে, সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে

নবান্নে নয়, মন্দিরতলায় ধরনার অনুমতি শুভেন্দুকে, সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – রাজ্যের ‘ভোট কুশলী’ সংস্থা আই-প্যাকের অফিসে ইডি হানার সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি এবং নথি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনাকে সামনে রেখে রাজ্য প্রশাসনের সদর দপ্তর নবান্নের সামনে সরাসরি প্রতিবাদ কর্মসূচির অনুমতি চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রথমে কলকাতা হাই কোর্ট নবান্নের সামনে ধর্নার অনুমতি দিলেও পরে সেই অনুমতি প্রত্যাহার করা হয়। তবে নবান্নের পরিবর্তে অন্যত্র ধরনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
নবান্নের সামনে ধরনার অনুমতি দেওয়ায় রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। রাজ্যের তরফে আদালতে জানানো হয়, নবান্ন অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সুরক্ষিত এলাকা। সেখানে ধরনা বা জমায়েত হলে নিরাপত্তাজনিত সমস্যা তৈরি হতে পারে। রাজ্যের এই যুক্তিকে গুরুত্ব দিয়েই বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ নির্দেশ দেন, নবান্নের সামনে নয়, বিকল্প জায়গায় প্রতিবাদ কর্মসূচি করা যেতে পারে।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত নবান্নের পিছনের দিকে অবস্থিত মন্দিরতলা বাসস্ট্যান্ডের কাছে ধরনা কর্মসূচি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে। এই স্থান নবান্ন চত্বরের বাইরে হলেও প্রশাসনিক দপ্তরের কাছাকাছি হওয়ায় সেখানে কর্মসূচি করা যাবে বলে আদালত জানায়।
উল্লেখযোগ্যভাবে, নবান্নের সামনে ধরনা প্রসঙ্গে আগেও আপত্তি জানিয়েছিলেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। সেই সময়ই তিনি স্পষ্ট করেছিলেন, নিরাপত্তার কারণে নবান্নের সামনে এই ধরনের কর্মসূচি কাম্য নয়। এবার সেই আপত্তিকেই চূড়ান্ত রূপ দিয়ে নবান্নের সামনে ধরনায় পাকাপাকিভাবে না বলে দিল আদালত।
তবে হাই কোর্টের এই নির্দেশে সন্তুষ্ট নয় বিজেপি। ইতিমধ্যেই ডিভিশন বেঞ্চে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ জানান, নবান্নের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচি করার অনুমতি চাওয়া ছিল তাঁদের ন্যায্য গণতান্ত্রিক অধিকার। সেই অধিকার নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে যত দ্রুত সম্ভব ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হবে বিজেপি।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top