
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ৯ মার্চ, ৮ই মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘আশ্রয়’-এর পক্ষ থেকে এক বিশেষ সংবর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কলকাতার প্রেস ক্লাবে। ৭ জন বিশেষ নারীকে বেছে নেওয়া হয়েছিল এদিন, যাদের সম্মানিত করা হয় ‘আশ্রয়'(আশ্রয় সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন)-এর পক্ষ থেকে।
জীবন যুদ্ধে জয়ী হয়ে যারা আজ স্বনির্ভর হয়েছেন শুধু তারাই নয় যারা এখনও জীবনে নিজের অস্তিত্বের জন্য লড়াই করে চলেছেন তাদের মধ্যেই কিছুজনকে সামনে এনে এদিন সমাজকে এক নতুন বার্তা প্রেরণ করল ‘আশ্রয়’।
সাধারণত যেসকল পেশাতে আমরা প্রধানত পুরুষদের দেখে থাকি বা ভেবে থাকি আবার অনেকের মনে এরূপ প্রশ্নও ওঠে যে এ কাজ কি মহিলার দ্বারা সম্ভব? তাদের সকলকে উত্তর দিল এই ৭জন নারী, নিজ কাজের দ্বারা।
প্রমান করে দিল আসলেই নারীরা সর্বেসর্বা।এদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘গ্রিনফিল্ড একাডেমি’র প্রতিষ্ঠাতা দীপক দাস, প্রিন্সিপাল রিতা দাস, সমাজ কর্মী এবং নাচের কোরিওগ্রাফার ইন্দ্রানী গাঙ্গুলি, সমাজ কর্মী আরাত্রিকা ভট্টাচার্যী, সমাজ কর্মী অভিষেক দত্ত, সংবেদনের সম্পাদক সামিত সাহা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ।

এদিন আশ্রয়’এর পক্ষ থেকে যে ৭ জনকে পুরস্কৃত করা হল, তারা হলেন প্রতিমা পোদ্দার (বাস চালিকা), মাম্পি দে (দৃষ্টিহীন শিক্ষিকা), পিঙ্কি খাতুন (টোটো চালিকা), মালা পাল (মৃৎ শিল্পী), অনিতা মুখোপাধ্যায় (মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক) স্মৃতি বোস (সমাজ সেবিকা এবং প্রতিবন্ধীদের নাচের শিক্ষিকা) নন্দিনী ভট্টাচার্যী (সমাজ কর্মী, যিনি সমাজের নির্যাতিতা পুরুষদের অধিকারের জন্য লড়াই করেন)।
অনুষ্ঠান শেষে ‘আশ্রয় সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন’-এর সম্পাদক সন্তু সিনহা মহাশয় জানান, সমাজের মানুষের চিন্তাধারার বদল আনার প্রয়াস এবং নারী-পুরুষের সমান অধিকারকে বাস্তবায়িত করাই ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।



















