কলকাতা – বড়দিনের ভিড়কে টেক্কা দিয়ে ২০২৬ সালের পয়লা জানুয়ারিতে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙল ইকো পার্ক। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বছরের প্রথম দিনে ইকো পার্কে আনন্দ উদযাপন করতে গিয়েছিলেন মোট ৬৬ হাজার ৪৯৪ জন মানুষ। বড়দিনে যেখানে দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিল ৫০ হাজার ৭০০, সেখানে পয়লা জানুয়ারিতে সেই সংখ্যাকে ছাপিয়ে শহরের এক নম্বর বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে উঠে এল ইকো পার্ক।
ছাব্বিশের প্রথম দিনে কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করেই শহরজুড়ে উদযাপনের ছবি ধরা পড়েছে। অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কলকাতার বিভিন্ন বিনোদন পার্ক ও পিকনিক স্পটে উপচে পড়ে ভিড়। পরিসংখ্যান বলছে, বড়দিনের তুলনায় পয়লা জানুয়ারিতে শহরের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে মানুষের সমাগম ছিল আরও বেশি।
বছরের প্রথম দিনে আলিপুর চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫১ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছয়। সেই হিসাবে ইকো পার্কের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আলিপুর জু। পরিবার ও শিশুদের নিয়ে নতুন বছরের আনন্দে মেতে ওঠেন বহু মানুষ।
তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল। বৃহস্পতিবার সেখানে গিয়েছিলেন ৩৬ হাজার ৭০০ জন দর্শনার্থী। বড়দিনের মতোই ১ জানুয়ারিতেও ভিক্টোরিয়ার ভিতরের জাদুঘর বন্ধ ছিল। তবে খোলা আকাশের নীচে সবুজ ঘাসে কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ আবার প্রিয়জনের সঙ্গে পিকনিকের আনন্দে মেতে ওঠেন।
চতুর্থ স্থানে রয়েছে সায়েন্স সিটি। কলকাতার বুকে গড়ে ওঠা এই বিজ্ঞাননগরীতে ১ জানুয়ারি বিক্রি হয়েছে মোট ২৪ হাজার ৮৫৮টি টিকিট। বিজ্ঞানভিত্তিক প্রদর্শনী ও বিনোদনের টানে সকাল থেকেই সেখানে ভিড় জমে ওঠে।
পর্যটক টানার নিরিখে পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারতীয় জাদুঘর। সেখানে প্রায় ৭ হাজার ৩৬৬ জন দর্শনার্থী গিয়েছিলেন। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে নিক্কো পার্ক। আট থেকে আশি—সব বয়সের মানুষের হাসি-আনন্দে মুখর ছিল এই অ্যামিউজমেন্ট পার্ক। জানা গেছে, পয়লা জানুয়ারিতে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার মানুষ নিক্কো পার্কে বেড়াতে গিয়েছিলেন।




















