দক্ষিণ 24 পরগণা – এসআইআরের খসড়া তালিকায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছিল। এরপর আনম্যাপড এবং লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি সমস্যার কারণে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে শনিবার পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাতিল করা হয়েছে। ২০২৫ সালের তালিকার নিরিখে মোট ৬৩ লক্ষেরও বেশি ভোটার বাদ পড়েছে। এছাড়া এখনও ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম ‘বিচারাধীন’ (অ্যাডজুডিকেশন) রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে মথুরাপুরের মাটি থেকে পরিসংখ্যান চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
কদিন আগে মথুরাপুরে সভা করেছিলেন অমিত শাহ। রবিবার একই স্থানে অভিষেক বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিথ্যা তথ্য দিয়ে গেছেন। তিনি বলেন, “হয় এই সব তথ্য মিথ্যা প্রমাণ করুন, না হলে মথুরাপুরে এসে ক্ষমা চান। মুখোমুখি বসে তথ্য নিয়ে আলোচনা করুন। যে কোনও সংবাদমাধ্যম বেছে নিতে পারেন। ১০-০ গোলে যদি হারাতে না পারি, রাজনীতির আঙিনায় পা রাখব না।”
এসআইআর কার্যক্রমে বিপুল সংখ্যক মানুষের নাম বাদ গেলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, এবারও বিজেপিকে হারাতে হবে। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ বলেন, “বাংলায় এসআইআর করতে গিয়ে বিজেপি নিজেই এসআইআর হয়ে গেছে। বহু মানুষের ভোটাধিকার বেঁচে গেছে, এখনও অ্যাডজুডিকেশন চলছে। তৃণমূল কংগ্রেস পথ, সংসদ ও সুপ্রিম কোর্টে লড়াই জানে। তাই আবার বিপুল ভোটে হারাব।”
দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিজেপিকে সতর্ক করে অভিষেক বলেন, “কোথায় জল, লাইট, রাস্তা লাগবে, তালিকা তৈরি করুন।” তিনি রাষ্ট্রপতি ইস্যুতেও কেন্দ্রকে পাল্টা তোপ দেন। মঞ্চের স্ক্রিনে দেখান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতির ছবি এবং বলেন, “এটা পিআইবি-এর ছবি, আমার নয়। রামমন্দির উদ্বোধনের সময়ে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।” অভিষেক আরও বলেন, “আমি তৃণমূল জিতলে রাজ্য চালাব। আমি তিনবার মানুষের সামনে পরীক্ষা দিয়ে সাংসদ হয়েছি, কিন্তু আপনার ছেলে কোন অগ্নিপরীক্ষা দিয়ে আইসিসির প্রেসিডেন্ট হয়েছেন?”



















