পুজোর আগেই ইতিহাস ‘দেশু ৭’, নামহীন ছবির অগ্রিম টিকিটে হাউসফুল ঝড়, বিতর্কের মাঝেই আত্মবিশ্বাসী দেব

পুজোর আগেই ইতিহাস ‘দেশু ৭’, নামহীন ছবির অগ্রিম টিকিটে হাউসফুল ঝড়, বিতর্কের মাঝেই আত্মবিশ্বাসী দেব

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


বিনোদন – ছাব্বিশ সালের পুজো রিলিজে অন্যতম বড় চমক হতে চলেছে দেব-শুভশ্রী জুটির নতুন ছবি ‘দেশু ৭’। ঘোষণার পর থেকেই এই জুটিকে ঘিরে উন্মাদনার পারদ যে ভাবে চড়ছে, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। পুজোর এখনও ন’মাস বাকি। হাতে রয়েছে যথেষ্ট সময়। তার আগেই বড়সড় স্ট্র্যাটেজি নিয়ে এগোচ্ছেন দেব ও শুভশ্রী। আশ্চর্যের বিষয়, ছবির নাম বা চিত্রনাট্য এখনও চূড়ান্ত না হলেও ‘দেশু ৭’-এর অগ্রিম টিকিট বুকিং ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে গোটা ইন্ডাস্ট্রির।
মুক্তির অনেক আগে দেব-শুভশ্রীর নামহীন ছবি বুক মাই শোতে আপলোড হতেই বিনোদন মহলে শুরু হয় তুমুল চর্চা। যে ছবির নাম এখনও ঠিক হয়নি, এমনকি চিত্রনাট্যও লেখা হয়নি, সেই ছবির অগ্রিম টিকিটে যেভাবে হাউসফুল ঝড় উঠেছে, তা সাম্প্রতিককালে তো বটেই, ভারতীয় বিনোদুনিয়াতেও বিরল বলেই মনে করছেন অনেকে।
তবে সেন্সর ছাড়া কোনও ছবি এভাবে বুক মাই শোতে অগ্রিম বুকিংয়ের জন্য আনা যায় কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। ইন্ডাস্ট্রির একাংশ প্রশ্ন তুলেছে এই প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক পরিবেশকের দাবি, কনসার্ট বা ইভেন্টের ক্ষেত্রে সেন্সরের প্রয়োজন হয় না, সেই ফাঁক দিয়েই এই অগ্রিম বুকিং করা হয়েছে। এই যুক্তিকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে জলঘোলা।
এই বিতর্কের মাঝেও বিষয়টিকে সম্পূর্ণ ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন মেগাস্টার দেব। তাঁর বক্তব্য, “বাংলা সিনেমার ইতিহাসে যা হয়েছে, তা নিয়ে সকলের গর্ব করা উচিত।” পাশাপাশি দেব অভিযোগ করেন, “কেউ কেউ সেন্সর বোর্ড এবং বুক মাই শো-কে মেল পাঠিয়ে এই উদ্যোগ আটকানোর চেষ্টা করছে। বুক মাই শো সেই মেল আমাকে পাঠিয়েছে। এমনকি কোন প্রযোজনা সংস্থা এই কাজ করেছে, তার নামও পাঠিয়েছে। যেখানে সকলের গর্বিত হওয়া উচিত, সেখানে কেউ কেউ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে।”
দেব আরও জানান, তাঁরা একটি ‘ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো’ ইভেন্টের পরিকল্পনাও করছেন। সেখানে তিনি গান শোনাবেন, নাকি সিনেমা দেখাবেন—তা আপাতত চমক হিসেবেই থাকছে। দেবের কথায়, “বাংলা ছবির ইতিহাসে আমি যা করে দিলাম, তাতে ইন্ডাস্ট্রির সম্মান কমবে না, বরং আরও বাড়বে।”
উল্লেখ্য, ‘দেশু ৭’ মুক্তি পেতে এখনও ন’মাস বাকি। কিন্তু তার আগেই যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, তাতে মুক্তির সময় কী পরিস্থিতি হতে চলেছে, তা সহজেই অনুমেয়। মাত্র একদিনেই বিক্রি হয়েছে ৩৫১২টি টিকিট। তারকাজুটির শেয়ার করা পোস্ট অনুযায়ী, সল্টলেক, বারাসত থেকে চন্দননগর ও বহরমপুর—নির্ধারিত সব হলের টিকিট মুহূর্তের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top