২২ ডিসেম্বর, বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো গাছের কথা বলতে এবার সামনে এল এক ধরনের সামুদ্রিক শৈবাল।এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিবিসি।নিউ ইয়র্কের কাইরো শহরের একটি পরিত্যক্ত খাদান থেকে প্রায় ৩৮৬০ বছরের পুরনো গাছের জীবাশ্ম পেলেন বিজ্ঞানীরা। খাদানের দেওয়ালের একাংশে একাধিক গাছের জীবাশ্ম মিলেছে, যা পৃথিবীর ইতিহাস জানার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিতে পারে এমনই দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।
জীবাশ্মগুলি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে সেগুলি ডেবোনিয়ন যুগের। এই সময় বেশিরভাগ জীবের অস্তিত্ব ছিল সমুদ্রের জলের নিচে। ২০০৯ সালে ব্রিটেনের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের একটি দল প্রথমবার এই জায়গাটির খোঁজ পেয়েছিলেন।গবেষকরা জানিয়েছেন, তাঁরা সেই জীবাশ্মতে ক্লোরোপ্লাস্টসের সন্ধান পেয়েছেন। এটি সালোক সংশ্লেষণে ভূমিকা রাখে। তবে এর চেয়েও বহু আগেই পৃথিবীতে এককোষী প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গেছে। সাড়ে তিন বিলিয়ন বছর আগের একটি জীবাশ্ম সেই প্রমাণ দিয়েছে।
জীবাশ্মগুলি পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সেই সময় এক-একটি গাছের শাখা প্রায় ৪০ ফুট পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। নয়ের দশকে বিজ্ঞানীদের এই দলই নিউ ইয়র্কের গিলোয়ার কাছে বেশ কিছু গাছের জীবাশ্ম খুঁজে বের করেছিলেন। যা দেখে বিজ্ঞানীরা দাবি করেছিলেন ওই অঞ্চলে ৩৮২০ বছরের পুরনো জঙ্গলের অস্তিত্ব ছিল। সুইডিস মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্টোরির গবেষক থেরেসে স্যালস্টেডট এ বিষয়ে বলেন, “আমরা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো গাছ হিসেবে মনে করছি। এটি ১৬০ কোটি বা ১.৬ বিলিয়ন বছর আগের একটি লাল অ্যালগি বা সামুদ্রিক শৈবাল। এ বিষয়ে গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে প্লস ওয়ান জার্নালে।এবং এটি বিশ্বের জন্য একটি বড় আবিষ্কার”।



















